Ethanol reducing from tankers from the Nationwide Freeway close to Bardhaman

Ethanol reducing from tankers from the Nationwide Freeway close to Bardhaman

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


পেট্রল, ডিজেলের কাটিং চলত। এবার জাতীয় সড়কে ট্যাঙ্কার দাঁড় করিয়ে ইথানল কাটিং! বর্ধমানে রাতের অন্ধকারে রমরমিয়ে চলছে বেআইনি কারবার। পুলিশের অনুমান, এই কাজে সক্রিয় একটা বড়সড় চক্র। জাতীয় সড়কে ট্যাঙ্কার থেকে ইথানল চুরি করে তা বিভিন্ন পেট্রল পাম্পে পাঠানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ জানিয়েছেন স্থানীয়দের। আর এমন গুরুতর অভিযোগ পেয়ে নড়েচড়ে বসেছে পুলিশও। বেআইনি চক্র পাকড়াও করতে তৎপর।

১৯ নম্বর জাতীয় সড়কে কাছে বর্ধমান থানার মেটেল ডিভিসি এলাকায় দুর্গামুখী সার্ভিস রোডের ধারে রয়েছে একটি গোডাউন। সেখানেই রাতের অন্ধকারে চলছে দেদার ইথানল কাটিং। স্থানীয় সূত্রের খবর, ইথানল ভর্তি ট্যাঙ্কারগুলি গুসকরার দিক থেকে আসার পথে মাঝরাতে ওই গোডাউনের সামনে দাঁড়ায়। তখনই অন্ধকার রাস্তায় টর্চ ও মোবাইলের আলো জ্বালিয়ে ট্যাঙ্কার থেকে ইথানল কাটিং করে ড্রামে ভর্তি করা হয়। আধঘণ্টার মধ্যে কাটিং পর্ব শেষ করে ট্যাঙ্কার চলে যায় দুর্গাপুরে।এভাবেই প্রতিদিন ৪-৫ টি ট্যাঙ্কার থেকে ইথানল ‘চুরি’ করা হয় বলে জানা গিয়েছে। প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকার ইথানল চুরি করে পাচার করা হয়।

আরও পড়ুন:

১৯ নম্বর জাতীয় সড়কে কাছে বর্ধমান থানার মেটেল ডিভিসি এলাকায় দুর্গামুখী সার্ভিস রোডের ধারে রয়েছে একটি গোডাউন। সেখানেই রাতের অন্ধকারে চলছে দেদার ইথানল কাটিং। স্থানীয় সূত্রের খবর, ইথানল ভর্তি ট্যাঙ্কারগুলি গুসকরার দিক থেকে আসার পথে মাঝরাতে ওই গোডাউনের সামনে দাঁড়ায়। তখনই অন্ধকার রাস্তায় টর্চ ও মোবাইলের আলো জ্বালিয়ে ট্যাঙ্কার থেকে ইথানল কাটিং করে ড্রামে ভর্তি করা হয়। আধঘণ্টার মধ্যে কাটিং পর্ব শেষ করে ট্যাঙ্কার চলে যায় দুর্গাপুরে।

এভাবেই প্রতিদিন ৪-৫ টি ট্যাঙ্কার থেকে ইথানল ‘চুরি’ করা হয় বলে জানা গিয়েছে। প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকার ইথানল চুরি করে পাচার করা হয়। স্থানীয়দের দাবি, এই চক্রের সঙ্গে কিছু অসাধু পেট্রোল পাম্প মালিকও জড়িত। ইথানল মেশানো পেট্রোল বিক্রি চালু হওয়ায় এই ইথানল কিনে ওইসব পেট্রোল পাম্প মালিক অতিরিক্ত ইথানল মিশিয়ে দিচ্ছে তুলনায় কম দামে কিনে। মোটা মুনাফা লুটছে তারাও।

স্থানীয় সূত্রে খবর, এই চক্রের মাথা পশ্চিম বর্ধমানের কাঁকসা থানার কাঁকোড়া এলাকার দুই ব্যবসায়ী জড়িত। তাদের মাথা রাকেশকুমার সিং। বেআইনি কারবারে মোটা মুনাফা লুটছে এই চক্রের সঙ্গে জড়িত সকলে। পাশাপাশি, এইভাবে রাস্তার ধারে কাটিং করায় দাহ্য পদার্থে যে কোনও সময় আগুন লেগে বড় দুর্ঘটনারও আশঙ্কাও থাকছে। স্থানীয়রা অবিলম্বে এই কারবার বন্ধের দাবি তুলেছেন। পাশাপাশি, এভাবে কাটিং করে ইথানলের কারবার চলায় সরকারি রাজস্বেরও ক্ষতি হচ্ছে। পুলিশের এক আধিকারিক জানান, বিষয়টি বর্ধমান থানাকে জানিয়ে খোঁজ নিয়ে যথাযথ পদক্ষেপ করতে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *