উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: কফি আমাদের নিত্যদিনের সঙ্গী। ক্লান্তি দূর করা থেকে শুরু করে মন চাঙ্গা রাখতে এক কাপ কফির (Espresso) জুড়ি মেলা ভার। ক্যাফিনের গুণাগুণ যেমন স্নায়ুকে সক্রিয় রাখে, তেমনই পরিমিত কফিপান ফ্যাটি লিভার ও মস্তিষ্কের কার্যকারিতা উন্নত করতে সাহায্য করে। কিন্তু কফির এই উপকারিতা ম্লান হয়ে যেতে পারে যদি এর সঙ্গে ভুল কিছু উপকরণ মিশিয়ে ফেলি। কফিকে সুস্বাদু করতে গিয়ে অজান্তেই আমরা স্বাস্থ্যের ক্ষতি ডেকে আনছি। জেনে নিন কোন পাঁচটি উপকরণ কফি থেকে দূরে রাখাই শ্রেয়:
কন্ডেন্সড মিল্ক
কফির স্বাদ বাড়াতে কন্ডেন্সড মিল্কের ব্যবহার অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর। এতে থাকা অতিরিক্ত চিনি ক্যালোরির পরিমাণ বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়, যা বদহজমের ঝুঁকি তৈরি করে।
ক্রিম
ঘন ক্রিমের ব্যবহার কফিতে বাড়তি ফ্যাট যোগ করে। যাঁদের ওজন বেশি বা হজমের সমস্যা আছে, তাঁদের ক্রিম এড়িয়ে চলাই ভালো।
মার্সমেলো
স্বাদের ভিন্নতা আনতে অনেকে কফিতে মার্সমেলো ব্যবহার করেন। এটি কফিতে ক্যালোরির মাত্রা অনেকটা বাড়িয়ে দেয়, যা শরীরের জন্য মোটেও আদর্শ নয়।
চিনি
ওজন কমাতে বা ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে কফিতে চিনি না মেশানোই ভালো। দুধ ও চিনির সংমিশ্রণ অনেক সময় হজমের গোলমাল ও অম্বলের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
মাখন
স্বাদ বাড়াতে অনেকেই ব্ল্যাক কফি বা দুধ কফিতে মাখন মিশিয়ে খান। তবে ক্যালোরি নিয়ন্ত্রণ ও ফ্যাটি লিভারের সমস্যা থাকলে মাখন মেশানো কফি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
কীভাবে পান করবেন কফি?
বিশেষজ্ঞদের মতে, দিনে ২-৩ কাপ চিনি ও দুধ ছাড়া কফি পান করা সবচেয়ে ভালো। তবে দুধ ছাড়া খেতে অসুবিধা হলে প্রাণিজ দুধের বদলে ওটস মিল্ক বা আমন্ড মিল্ক ব্যবহার করা যেতে পারে। স্বাদ বাড়াতে চিনির বদলে অল্প ডার্ক চকোলেটের গুঁড়ো বা কোকো পাউডার ছড়াতে পারেন। মনে রাখবেন, সঠিক কৌশলে তৈরি কফিই আপনার শরীরের জন্য প্রকৃত বন্ধু হয়ে উঠতে পারে।

