Epstein File | বিস্ফোরক ‘এপস্টাইন ফাইল’: ট্রাম্প-ক্লিনটনদের লালসার নথিতে কাঁপছে আমেরিকা!

Epstein File | বিস্ফোরক ‘এপস্টাইন ফাইল’: ট্রাম্প-ক্লিনটনদের লালসার নথিতে কাঁপছে আমেরিকা!

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: জেফরি এপস্টাইন—নামটা শুনলেই মনে পড়ে যায় এক অন্ধকার যৌন কেলেঙ্কারির অধ্যায়। কয়েক বছর আগে জেলে রহস্যজনকভাবে এই ধনকুবেরের মৃত্যু হলেও, তাঁর রেখে যাওয়া ‘পাপের ডায়েরি’ আজও বিশ্বের রাঘববোয়ালদের রাতের ঘুম কেড়ে নিচ্ছে। সম্প্রতি আদালতের নির্দেশে জনসমক্ষে আনা হয়েছে কয়েক হাজার পাতার ‘এপস্টাইন ফাইল’ (Epstein File)। আর সেই নথির ছত্রে ছত্রে উঠে এসেছে আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট থেকে শুরু করে ব্রিটিশ রাজপরিবারের সদস্যদের নাম। ওয়াশিংটন থেকে লন্ডন—ক্ষমতার অলিন্দে এখন কেবলই আতঙ্কের ছায়া।

প্রকাশিত নথিতে সবথেকে বেশি শোরগোল পড়ে গিয়েছে প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন (Invoice Clinton)-কে নিয়ে। দীর্ঘদিনের জল্পনা সত্যি করে নথিতে দাবি করা হয়েছে, ক্লিনটন মাঝেমধ্যেই সওয়ার হতেন এপস্টাইনের কুখ্যাত ব্যক্তিগত বিমান ‘ললিতা এক্সপ্রেস’-এ। এই বিমানে করেই চলত নাবালিকা পাচার। যদিও ক্লিনটন বরাবরই এই অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছেন, কিন্তু প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান এবং নতুন করে সামনে আসা তথ্যপ্রমাণ তাঁর দিকেই আঙুল তুলছে। এপস্টাইনের সেই কুখ্যাত ‘প্রাইভেট আইল্যান্ড’ বা নির্জন দ্বীপে ক্লিনটনের যাতায়াত ছিল কি না, তা নিয়ে এখন তোলপাড় আন্তর্জাতিক রাজনীতি।

তালিকায় নাম রয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পেরও (Donald Trump)। এক সময় ট্রাম্প নিজেই এপস্টাইনকে ‘চমৎকার মানুষ’ বলে অভিহিত করেছিলেন। নথিতে উঠে এসেছে তাঁদের দীর্ঘ বন্ধুত্বের কথা। শুধু রাষ্ট্রপ্রধানরাই নন, ব্রিটিশ রাজপরিবারের প্রিন্স অ্যান্ড্রু-র নামও ফের কাদা ছিটিয়েছে বাকিংহাম প্যালেসের আভিজাত্যে। অভিযোগ, এপস্টাইনের সাজানো যৌনচক্রে সরাসরি যুক্ত ছিলেন রাজকুমার। নাবালিকাদের ওপর পাশবিক অত্যাচারে তাঁর ভূমিকা নিয়ে ভুক্তভোগীদের বয়ান শিউরে ওঠার মতো।

আসলে কী হতো সেই ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জের নির্জন দ্বীপে? তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন, সেখানে এক আন্তর্জাতিক পাচারচক্রের মাধ্যমে আনা হতো নাবালিকাদের। ক্ষমতার দাপট আর টাকার গরমে সেই অসহায় মেয়েদের ওপর চলত ‘ভিভিআইপি’দের লালসা মেটানোর খেলা। এপস্টাইনের এই গোপন নথিতে প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ জন প্রভাবশালীর নাম রয়েছে, যাঁদের মধ্যে বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী থেকে শুরু করে নামী শিল্পপতিরাও রয়েছেন।

২০১৯ সালে জেলবন্দি অবস্থায় এপস্টাইনের আত্মহত্যা নিয়ে অনেক রহস্য রয়েছে। অনেকের মতে, এই প্রভাবশালী ব্যক্তিদের আড়াল করতেই সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। কিন্তু শেষরক্ষা হলো না। আদালতের নির্দেশে ফাইলের মুখবন্ধ খুলতেই বেআব্রু হয়ে পড়ল হোয়াইট হাউসের অন্দরমহলের অন্ধকার জগত। ক্ষমতার আড়ালে বিশ্বনেতারা যে কী ভয়ানক নোংরা খেলায় মেতেছিলেন, তার নগ্ন রূপ দেখে স্তম্ভিত সাধারণ মানুষ। পর্দা উঠতে শুরু করেছে মাত্র, আগামী দিনে আর কোন কোন মহারথীর মুখোশ খোলে, এখন সেটাই দেখার।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *