উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: খাওয়াদাওয়া থেকে শুরু করে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা— প্রতিদিনের হাজারো কাজের ভিড়ে আমরা অনেক সময় ছোটখাটো অভ্যাসের প্রতি নজর দিই না। কিন্তু চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, আমাদের এমন কিছু সাধারণ অভ্যাস রয়েছে যা তিলে তিলে দাঁতের মারাত্মক ক্ষতি করছে (Enamel)। এই অভ্যাসগুলো দীর্ঘস্থায়ী হলে অকালেই দাঁত ক্ষয়ে যাওয়া বা ভেঙে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। সেই অভ্যাসগুলি কী কী?
ভুল পদ্ধতিতে ব্রাশ
অনেকেই ভাবেন জোরে ব্রাশ করলেই দাঁত ধবধবে হবে। আসলে এতে দাঁতের রক্ষাকবচ ‘এনামেল’ ক্ষয়ে যায় এবং মাড়ি আলগা হয়ে দাঁতের গোড়া সংবেদনশীল হয়ে পড়ে।
দাঁতকে যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার
চিপসের প্যাকেট খোলা বা বোতলের ছিপি খুলতে দাঁত ব্যবহার করা বন্ধ করুন। এর ফলে দাঁতে সূক্ষ্ম ফাটল ধরে এবং যেকোনও সময় দাঁত ভেঙে যেতে পারে।
বারবার মুখ চালানো
সারাদিন ধরে অল্পঅল্প করে মিষ্টি বা মশলাদার খাবার খেলে মুখে সারাক্ষণ অ্যাসিড উৎপন্ন হতে থাকে। এই ধারাবাহিক অ্যাসিডিক পরিবেশ দাঁতে ক্যাভিটি তৈরির প্রধান কারণ।
অতিরিক্ত পানীয় আসক্তি
চা বা কফিতে থাকা ‘ট্যানিন’ দাঁতে কালচে ছোপ ফেলে সৌন্দর্য নষ্ট করে। অন্যদিকে, কার্বোনেটেড পানীয় বা কোল্ড ড্রিঙ্কসের অতিরিক্ত চিনি ও অ্যাসিড দাঁতের এনামেল দ্রুত ক্ষয় করে দেয়, ফলে শুরু হয় শিরশিরানি।
খাওয়ার পরেই ব্রাশ করার তাগিদ
টক বা অ্যাসিডিক খাবার খাওয়ার ঠিক পরেই ব্রাশ করা বিপদজনক। কারণ অ্যাসিডের সংস্পর্শে এনামেল তখন নরম থাকে। খাবার খাওয়ার অন্তত ৩০ মিনিট পর ব্রাশ করা উচিত।
