Elephant Safety | দুই চালকের অসীম ধৈর্য ও তৎপরতা, নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচল দাঁতাল হাতি

Elephant Safety | দুই চালকের অসীম ধৈর্য ও তৎপরতা, নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচল দাঁতাল হাতি

শিক্ষা
Spread the love


নাগরাকাটা: উত্তরবঙ্গের ডুয়ার্সে রেলপথে বন্যপ্রাণীদের প্রাণহানি রুখতে (Elephant Safety) ফের ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হলেন দুই রেল চালক। শনিবার গভীর রাতে নাগরাকাটা ও চালসা স্টেশনের মধ্যবর্তী চাপরামারির জঙ্গল (Chapramari Wildlife) চেরা রেলপথে মালগাড়ি চালকদের সতর্কতায় একটি বিশাল দাঁতাল হাতির প্রাণ রক্ষা পেল।

রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার রাতে ডলোমাইট বোঝাই একটি মালগাড়ি দলগাঁও স্টেশন থেকে শিলিগুড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিল। ট্রেনটি যখন ডুয়ার্সের ঘন জঙ্গলের ভেতর দিয়ে যাচ্ছিল, তখন হেডলাইটের জোরালো আলোয় হঠাৎই এক ছমছমে দৃশ্য চোখে পড়ে চালকদের। রেলের ৭০/১১-১২ নম্বর পিলারের কাছে একটি বিশাল দাঁতাল হাতিকে রেললাইনের একেবারে কিনারে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেন লোকো পাইলট মুকেশ কুমার ও সহকারী লোকো পাইলট ধ্রুবজ্যোতি সরকার। হাতিটি এক জঙ্গল থেকে অন্য জঙ্গলের দিকে যাওয়ার জন্য লাইন পার হওয়ার তোড়জোড় করছিল।

বিপত্তি বুঝে বিন্দুমাত্র সময় নষ্ট না করে দুই চালক তৎক্ষণাৎ ট্রেনের জরুরি ব্রেক (Emergency Brake) কষেন। ডলোমাইট বোঝাই ভারী মালগাড়িটি গোঙানি দিয়ে হাতির ঠিক কয়েক হাত দূরে এসে থেমে যায়। কিছুক্ষণ থমকে দাঁড়িয়ে থেকে দাঁতালটি হেলেদুলে লাইন পার হয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাওয়ার পর স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন চালকরা। হাতিটি জঙ্গলস্থ হওয়ার পরেই ট্রেনটি পুনরায় গন্তব্যের দিকে রওনা হয়।

উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের আলিপুরদুয়ার ডিভিশনের ডিআরএম দেবেন্দ্র কুমার এই ঘটনার প্রশংসা করে বলেন, “জঙ্গল পথে নিয়ন্ত্রিত গতিতে ট্রেন চালানোর পাশাপাশি চালকদের সর্বদা সতর্ক থাকার কড়া নির্দেশ দেওয়া আছে। বন্যপ্রাণীদের সুরক্ষায় আমরা সবসময় বদ্ধপরিকর।” দুই চালকের এই মানবিকতা ও দায়িত্ববোধ এখন ডুয়ার্সের সাধারণ মানুষ ও পরিবেশপ্রেমীদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *