Elephant assault | বিঘার পর বিঘা ফসল তছনছ! মাথাভাঙ্গায় দাঁতালদের তাণ্ডবে মাথায় হাত কৃষকদের

Elephant assault | বিঘার পর বিঘা ফসল তছনছ! মাথাভাঙ্গায় দাঁতালদের তাণ্ডবে মাথায় হাত কৃষকদের

ব্লগ/BLOG
Spread the love


ঘোকসাডাঙ্গা: সাতসকালে লোকালয়ে ঢুকে পড়ল ছয়টি দাঁতালের (Elephant assault) একটি দল। বৃহস্পতিবার মাথাভাঙ্গা (Mathabhanga) ২ ব্লকের ঘোকসাডাঙ্গা ও লতাপাতা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় এই হাতির দলের আগমনে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। হাতির দলটির তাণ্ডবে ভুট্টা ও কলা খেত সহ কৃষিজমির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘটনার খবর পেয়েই এলাকায় পৌঁছায় ঘোকসাডাঙ্গা থানার পুলিশ এবং বন দপ্তরের আধিকারিকরা। এখনও পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর না থাকলেও, হাতির ভয়ে সিঁটিয়ে রয়েছেন পুটিমারি ও সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারা।

আতঙ্ক ও ক্ষয়ক্ষতি

এদিন লতাপাতা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় প্রথম হাতির দলটি নজরে আসে। স্থানীয় বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম জানান, গোয়ালঘর থেকে গোরু বের করার সময় তিনি হাতিগুলোকে দেখতে পান। মুহূর্তের মধ্যে চিৎকার শুরু করেন বাবলু বর্মন। স্থানীয়দের দাবি, হাতির দলটি বড়ভাঙা এলাকায় সুপারি বাগান ও বাড়ির বেড়া ভেঙে তছনছ করেছে। পুটিমারি এলাকায় অঞ্জাই মিয়াঁর কলাবাগান এবং সহদেব রায়, খোকন রায়দের ভুট্টা খেত নষ্ট করেছে হাতির দল।

বন দপ্তরের তৎপরতা

খবর পেয়ে কোচবিহারের ডিএফও (DFO) অসিতাভ চট্টোপাধ্যায় এবং এডিএফও বিজন কুমার নাথ সহ বনকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরিস্থিতি সামাল দিতে জলদাপাড়া ও বক্সা রেঞ্জ থেকেও অতিরিক্ত বনকর্মী আনা হয়েছে। বন দপ্তর সূত্রে খবর, হাতির দলটি বর্তমানে পুটিমারি এলাকার একটি কলা বাগানে অবস্থান করছে। বুড়ি তোর্ষা নদী পেরিয়ে পাতলাখাওয়ার জঙ্গল থেকে হাতিগুলো লোকালয়ে ঢুকেছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। ডিএফও জানান, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা সরকারি নিয়ম মেনে আবেদন করলে তাঁদের দ্রুত ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করা হবে।

স্মৃতিতে উনিশবিশার সেই বিভীষিকা

প্রায় দু’বছর আগে এই ব্লকেরই উনিশবিশা ও পারডুবি এলাকায় হাতির হানায় চারজনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল। সেই স্মৃতি এখনও টাটকা গ্রামবাসীদের মনে। তাই লোকালয়ে হাতি দেখলেই আতঙ্কে ভুগছেন বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি, পাতলাখাওয়ার জঙ্গল থেকে হাতিগুলোকে আরও গভীর কোনো অরণ্যে সরিয়ে দেওয়া হোক। মাঝেমধ্যেই বাইসন বা হাতির আনাগোনায় বন দপ্তরের নজরদারি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সুমন সাহা, বিজয় সন্ন্যাসীদের মতো স্থানীয় বাসিন্দারা। আপাতত হাতিগুলোকে জঙ্গলে ফেরানোর সবরকম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বন দপ্তর।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *