উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: শনিবার রাজধানীর বুকে নির্বাচন কমিশনের (Election Fee India) বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে তীব্র বিক্ষোভ দেখায় রাজনৈতিক মহল। এই আবহে শনিবারে গভীর রাতে এক বিশেষ নির্দেশিকা মারফত কমিশনের নতুন ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার হিসেবে রাজস্থান ক্যাডারের ২০১০ ব্যাচের আইএএস আধিকারিক প্রকাশ রাজপুরোহিতের নাম ঘোষণা করা হয়। এর আগে এই গুরুদায়িত্বে থাকা সঞ্জয় কুমারকে তাঁর কার্যকালের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই গত আগস্ট মাসে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল।
২০২৪ সালের আগস্ট থেকে চলতি বছরের আগস্ট মাস পর্যন্ত কমিশনের ভোটার তালিকা এবং তথ্যপ্রযুক্তি সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিভাগটি সামলাতেন সঞ্জয় কুমার। তবে এর মাঝে গত বছর ন্যাশনাল ইনফরমেটিক্স সেন্টার থেকে ডেপুটেশনে যোগ দেন সীমা খান্না। বিরোধী দলগুলির অভিযোগ, বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার নেপথ্যে রয়েছে তাঁর ভূমিকা। একসময়ে সঞ্জয় কুমারের ওপর দিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে সীমাই তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের প্রধান হয়ে ওঠেন এবং ভোটার তালিকা সংক্রান্ত সমস্ত ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা নিজের আয়ত্তে নেন। বিরোধীদের একাংশের দাবি, নির্দিষ্ট স্বার্থ চরিতার্থ করতেই সঞ্জয় কুমারকে কোণঠাসা করে সরানো হয়েছে।
মূলত একটি জাতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের পরই নির্বাচন কমিশনের অন্দরে চলা এই এসআইআর বিতর্ক প্রকাশ্যে আসে। ওই প্রতিবেদন অনুসারে, কমিশনের অভ্যন্তরীণ কর্মপদ্ধতি ও ফাইল পাঠানোর নিয়ম নিয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়ে ক্যাবিনেট সচিবের কাছে চিঠি পাঠান জ্ঞানেশ কুমারের দুই সহকারী কমিশনার সুখবিন্দর সিং সান্ধু এবং বিবেক জোশী। ওই চিঠিতে সীমার কাজের পদ্ধতি নিয়েও আপত্তি জানানো হয়েছিল বলে দাবি। এমনকি সঞ্জয় কুমারকে অপসারণের সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন জ্ঞানেশের দুই সহকারী। যদিও সেই আপত্তির কোনো প্রভাব শীর্ষ মহলে পড়েনি।

