ED left Indranil Sen’s kasba residence after practically 16 hours

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


প্রায় সাড়ে ১৫ ঘণ্টা পর রাত ১১টা নাগাদ প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের কসবার বাড়ি থেকে বেরোলেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিকরা। আগামিকাল সকাল ১০টায় তাঁকে ইডি দপ্তরে তলব করা হয়েছে। পালটা আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইন্দ্রনীল সেন।

ইডি সূত্রে খবর, পুজো পরিক্রমার নামে ইউনেস্কোর ভুয়ো পাস বিক্রি করে ৫০ থেকে ৬০ কোটি টাকা তছরূপের অভিযোগ রয়েছে ইন্দ্রনীল সেন ও তাঁর স্ত্রী মধুছন্দার বিরুদ্ধে। চলতি বছরের জুন মাসে বউবাজার থানায় এনিয়ে অভিযোগ দায়ের হয়। মঙ্গলবার তার ভিত্তিতে অভিযানে নামে ইডি। এদিন সকালে ইডি আধিকারিকরা কয়েকটি টিমে ভাগ হয়ে বেশ কয়েকটি জায়গায় তল্লাশি শুরু করে। ইন্দ্রনীল সেনের কসবার বাড়ি ছাড়াও ইভেন্ট ম্যানেজার অরিজিৎ দাশগুপ্তর পঞ্চসায়রের বাড়িতেও তল্লাশি চালায় ইডি আধিকারিকরা। এছাড়া হিন্দুস্তান পার্ক, হাইল্যান্ড পার্কের ঠিকানাতেও চলে তল্লাশি। প্রতিটি বাড়ি ঘিরে রাখে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। সিঙ্গুরে ইন্দ্রনীল সেনের একটি বাগানবাড়ি রয়েছে। সেখানেও পৌঁছে যান ইডি আধিকারিকরা। আর্থিক দুর্নীতির উৎসে পৌঁছতেই এই অভিযান চলে।

আরও পড়ুন:

উল্লেখ্য, ২০২১ সালে কলকাতার দুর্গাপুজো ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পায়। তারপরই ‘মাস আর্ট’ নামে সংগঠন তৈরি হয়। তারা নিজেদের ইউনেস্কোর ‘অফিশিয়াল পার্টনার’ বলে দাবি করে দুর্গাপুজোর প্রচারে নামে। শুরু হয় পুজো পরিক্রমার পাস বিক্রি। কিন্তু চড়া দামে বিক্রি করা সেসব পাস আদতে ভুয়ো। এই সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ইন্দ্রনীলের স্ত্রী মধুছন্দা সেন। কলকাতার দুর্গাপুজোর ‘প্রিভিউ শো’ বা পুজো পরিক্রমার নামে ইউনেস্কোর নাম ও লোগো বেআইনিভাবে ব্যবহার করে চড়া দামে এন্ট্রি পাস বা টিকিট বিক্রি করা হত। তাতে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে বলে ইডির অভিযোগ। এর সঙ্গে মধুছন্দারও যোগ রয়েছে বলে মত কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের।

প্রতারণার শিকার হয়ে জয়দীপ মুখোপাধ্যায় নামে এক ব্যক্তি বউবাজার থানায় প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং বা আর্থিক তছরূপের মামলা দায়ের করেন জুন মাসে। যদিও সেসময় ইন্দ্রনীল সেন অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *