ECI returns record | এসআইআর জট, ৮,৫০৫ অফিসারের তালিকা নবান্নে ফেরাল কমিশন, রাজ্য-কেন্দ্র সংঘাত তুঙ্গে

ECI returns record | এসআইআর জট, ৮,৫০৫ অফিসারের তালিকা নবান্নে ফেরাল কমিশন, রাজ্য-কেন্দ্র সংঘাত তুঙ্গে

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা সংশোধনের বিশেষ প্রক্রিয়া বা এসআইআর (SIR) নিয়ে রাজ্য ও নির্বাচন কমিশনের টানাপড়েন এবার চরমে। রাজ্য সরকারের পাঠানো ৮,৫০৫ জন গ্রুপ ‘বি’ অফিসারের তালিকা গ্রহণ না করে তা নবান্নেই (Nabanna) ফেরত পাঠিয়ে দিল ভারতের নির্বাচন কমিশন (ECI returns record)। কমিশনের দাবি, এই তালিকায় স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে এবং তথ্যগুলি অসম্পূর্ণ।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে, পাঠানো তালিকায় কোন অফিসার কোন গ্রেডের, কার পদমর্যাদা (Designation) কী, কিংবা কতজন এইআরও (AERO) পদে রয়েছেন—তার কোনো স্পষ্ট উল্লেখ নেই। বিস্তারিত তথ্য ছাড়া এই আধিকারিকদের কোন স্তরে নিয়োগ করা হবে, তা নির্ধারণ করা অসম্ভব। এমনকি, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে পাঠানো তালিকায় এই ধরণের অসংগতি থাকায় বিষয়টি পুনরায় আদালতের নজরে আনা হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছে কমিশন।

গত ৪ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার শুনানিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং উপস্থিত ছিলেন। সেখানে কমিশনের আইনজীবীরা অভিযোগ করেছিলেন যে পর্যাপ্ত যোগ্য কর্মী দিচ্ছে না রাজ্য। জবাবে মুখ্যমন্ত্রী জানান, প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মী দিতে রাজ্য প্রস্তুত। এরপর ৭ ফেব্রুয়ারি ৮,৫০৫ জন অফিসারের তালিকা ঘোষণা করা হয় এবং ৯ ফেব্রুয়ারি শুনানির সময় তা কমিশনের হাতে তুলে দেয় রাজ্য।

তালিকা ফেরত আসার পর নবান্নের পক্ষ থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে পাল্টা সাফাই দেওয়া হয়েছে। রাজ্য সরকারের দাবি, গ্রুপ ‘বি’ অফিসারদের তথ্য বিকৃতির অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এই তালিকা অর্থ দপ্তরের ২০২০ সালের ৬ অক্টোবরের (স্মারকলিপি নং ২১৬০-এফ) নির্দেশিকা মেনেই তৈরি করা হয়েছে। বেতনস্তর এবং নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ীই গ্রুপ ‘বি’ কর্মচারীদের চিহ্নিত করা হয়েছে।

রাজ্য সরকারের মতে, সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণকে ঘিরে বিভ্রান্তি ছড়াতে সংবাদমাধ্যমের একাংশ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

এসআইআর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে যোগ্য আধিকারিকের অভাব নিয়ে যে অভিযোগ কমিশন তুলেছিল, রাজ্যের বিশাল তালিকা ফেরত দেওয়ায় সেই জট আরও পাকাল। এখন সব পক্ষই তাকিয়ে আছে সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী নির্দেশের দিকে। তালিকার এই অসংগতি নিয়ে আদালত রাজ্যকে কোনো কড়া বার্তা দেয় কি না, সেটাই এখন দেখার।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *