Durgapur | ‘তাড়া খেয়ে খালি পায়ে দৌড়েছিল…’, এসআইআর ইস্যুতে টিএমসি-কে ‘তুলোধোনা’ শুভেন্দুর!

Durgapur | ‘তাড়া খেয়ে খালি পায়ে দৌড়েছিল…’, এসআইআর ইস্যুতে টিএমসি-কে ‘তুলোধোনা’ শুভেন্দুর!

শিক্ষা
Spread the love


দুর্গাপুর: ‘দিল্লি গিয়ে পুলিশের লাঠি হাতে তাড়া খেয়ে খালি পায়ে দৌড়েছিল। এবার যেন চটি জুতো কলকাতায় রেখে যান।’ দুর্গাপুরের মাটি থেকে এদিন রাজ্যের শাসক দলকে আক্রমণ শানাতে গিয়ে এমনটাই মন্তব্য করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপি নেতা চন্দ্রশেখর বন্দোপাধ্যায়ের ক্লাব ‘স্বপ্ন উড়ানে’র জগদ্ধাত্রী পুজোর উদ্বোধন করতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দুর্গাপুর আসেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেখান থেকেই রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে এসআইআর ইস্যুতে কার্যত রনংদেহী মেজাজে দেখা যায় তাঁকে।

এদিনের এই পুজোর উদ্বোধনের পর শুভেন্দু মঞ্চে উঠতেই তাঁর হাতে তরোয়াল ও ত্রিশূল তুলে দেন বিজেপির কর্মী ও সমর্থকেরা। মঞ্চ থেকে এদিন তিনি এসআইআর ইস্যুতে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ শানান। শুভেন্দু বলেন, ‘সঠিকভাবে বাংলায় এসআইআর হলে অনেকেই প্রাক্তন হয়ে যাবে।’ এরপরেই তাঁর কটাক্ষের নিশানায় চলে আসেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘মা কালীকে উনি প্রিজন ভ্যানে তুলেছেন। আর ভাতা, ভিক্ষাতে তিনি চটকদারির রাজনীতি করেন। কারণ উনি জানেন, ওনার সাথে সলিড ৩৫% ভোট রয়েছে। আরও ১০%-এর দিকে ভাতা ছুঁড়ে দেন। তাতে যা আসে। তারপর তো ছাপ্পা আছে। কিন্তু এসআইআর হলে কোনও কিছুই হবে না।’

এখানেই থেমে না থেকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দোপাধ্যায় সহ রাজ্যের শাসক দলের অন্যান্য নেতাদের নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করা প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, ‘আগে একবার তো দিল্লি গিয়ে সেখানকার পুলিশের লাঠি হাতে তাড়া খেয়ে খালি পায়ে দৌড়েছিল। এবার যেন চটি জুতো কলকাতায় রেখে যান।’

অপরদিকে, এক নাবালিকাকে ধর্ষণ কাণ্ডে দুর্গাপুরের বিজেপি বিধায়ক লক্ষণ ঘোড়ুইয়ের ভাইপো সহদেব ঘোড়ুই-এর গ্রেপ্তারি প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী এদিন বলেন, ‘ভারতীয় জনতা পার্টি করলে নানান ভাবে ফাঁসানো হয়। লক্ষণ ঘোড়ুই এই এলাকার একজন প্রতিষ্ঠিত বিজেপি নেতা। ওনার পরিবারের কাউকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা হলে, পুরো বিজেপি পরিবার তাঁর পাশে থাকবে। লক্ষণ ঘোড়ুইকে পাশে নিয়ে তিনি বলেন, ‘আইন আইনের পথে চলবে। তাঁর পরিবার সঠিকভাবে আইনি লড়াই করে নিতে পারবেন এটা আমি বিশ্বাস করি।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *