Dooars Tourism | পুজোর আগে চাঙ্গা হচ্ছে ডুয়ার্সের পর্যটন! খুলছে দুটি জনপ্রিয় বনবাংলো, বাড়ছে সাফারির হাতি

Dooars Tourism | পুজোর আগে চাঙ্গা হচ্ছে ডুয়ার্সের পর্যটন! খুলছে দুটি জনপ্রিয় বনবাংলো, বাড়ছে সাফারির হাতি

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


শুভদীপ শর্মা, লাটাগুড়ি: পুজোর মরশুমের আগে ডুয়ার্সের পর্যটনশিল্পে (Dooars Tourism) গতি আনতে বন দপ্তর একাধিক উদ্যোগ নিচ্ছে। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ফের রামশাই রাইনো ক্যাম্প ও হর্নবিল নেস্ট বনবাংলো পর্যটকদের জন্য খুলতে চলেছে। পাশাপাশি গরুমারায় হাতি সাফারির জন্য আরও একটি কুনকি হাতিকে কাজে যুক্ত করা হবে। ফলে পুজোর আগেই বেশিসংখ্যক পর্যটক হাতি সাফারির সুযোগ পাবেন। অনলাইনের পাশাপাশি অফলাইনেও টিকিট বুকিংয়ের সুবিধা মিলবে। গরুমারা বন্যপ্রাণ বিভাগের এডিএফও রাজীব দে বলেন, ‘হলং বনবাংলোয় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর বনবাংলোগুলির বৈদ্যুতিক পরিকাঠামো নিয়ে বন দপ্তর কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না। তাই নতুনভাবে বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার কাজে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর জঙ্গল খোলার সঙ্গে সঙ্গেই অতিরিক্ত হাতি নিয়ে সাফারি ও সংস্কার হওয়া বনবাংলোগুলি চালু করা হবে।’

গরুমারা (Gorumara) বন্যপ্রাণ বিভাগ সূত্রে খবর, আগামী ১৬ জুন থেকে বর্ষাকালীন নিয়ম অনুযায়ী তিন মাসের জন্য গরুমারা জঙ্গল ও বনবাংলোগুলিতে পর্যটকদের প্রবেশ বন্ধ থাকবে। সেই সময়ের মধ্যে রামশাই রাইনো ক্যাম্প ও হর্নবিল নেস্টকে সম্পূর্ণ নতুনভাবে সাজিয়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। জঙ্গল খুলতেই, অর্থাৎ পুজোর আগেই বনবাংলো দুটি পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হবে।

ময়নাগুড়ি (Mainaguri) ব্লকের রামশাই ও মেটেলি ব্লকের লাটাগুড়ি সংলগ্ন বিচাভাঙ্গায় অবস্থিত বন দপ্তরের এই দুটি বনবাংলো বন্ধ রয়েছে। জলঢাকা নদীর তীরে অবস্থিত রামশাই রাইনো ক্যাম্প ও বিচাভাঙ্গার হর্নবিল নেস্ট একসময় পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল। তবে সংস্কারের অভাবে বনবাংলোগুলির পরিকাঠামো বেহাল হয়ে পড়ায় সেগুলি বন দপ্তর বন্ধ করে দেয়। বনবাংলো দুটির প্রবেশপথের কাঠের কালভার্ট ভেঙে গিয়েছে। পাশাপাশি বাথরুমে জলের সমস্যা, দুর্বল বৈদ্যুতিক সংযোগ সহ একাধিক পরিকাঠামোগত সমস্যা তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যে বন দপ্তর বিশেষজ্ঞদের দিয়ে সংস্কারের কাজ শুরুর উদ্যোগ নিয়েছে।

অন্যদিকে, গরুমারায় হাতি সাফারির চাহিদা বাড়ায় আর একটি কুনকি হাতিকে সাফারির কাজে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনটি হাতির মাধ্যমে তিনটি শিফটে ১৮ জন পর্যটক হাতি সাফারির সুযোগ পান। এর মধ্যে ১৬ জন অনলাইনে ও দুজন অফলাইনে টিকিট কাটতে পারেন। নতুন হাতি যুক্ত হলে ২৪ জন পর্যটক সাফারির সুযোগ পাবেন। তাঁদের মধ্যে ২০ জন অনলাইনে ও চারজন অফলাইনে টিকিট বুক করতে পারবেন বলে বন দপ্তর জানিয়েছে। বন দপ্তরের এই সিদ্ধান্তে খুশি পর্যটন মহল। ডুয়ার্স ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট ফোরামের সাধারণ সম্পাদক দিব্যেন্দু দেবের কথায়, ‘অনেক দিন ধরে বনবাংলো দুটি চালু করা এবং হাতি সাফারিতে পর্যটকদের সংখ্যা বাড়ানোর দাবি ছিল। অবশেষে সেই দাবি পূরণ হতে চলেছে। এতে ডুয়ার্সের পর্যটন আরও সমৃদ্ধ হবে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *