সদ্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন তারেক রহমান। এবার তাঁকে চিঠি পাঠালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নতুন দায়িত্বের জন্য তাঁকে অভিনন্দন জানানোর ফাঁকেই বাণিজ্যের কথাও পেড়ে নিয়েছেন তিনি। সরাসরি লিখেছেন, ‘আপনি সদ্য দায়িত্ব নিয়েছেন। আমার আশা, আমাদের মধ্যে যে অসাধারণ বাণিজ্যিক সম্পর্ক গড়ে উঠেছে তাকে বজায় রাখবেন।’
ঠিক কী লিখেছেন ট্রাম্প? তাঁকে লিখতে দেখা গিয়েছে, ‘আমেরিকান আমজনতার হয়ে আমি আপনাকে আপনার ঐতিহাসিক নির্বাচন জয়ের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। এবং কামনা করছি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আপনার মেয়াদ সাফল্যমণ্ডিত হোক।’ এরপরই তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন, ‘আমাদের দুই দেশের সম্পর্ক দাঁড়িয়ে রয়েছে পারস্পরিক সম্মান ও ইন্দো-প্যাসিফিককে আরও শক্তিশালী করার প্রচেষ্টার উপরে। যাতে সার্বভৌম দেশগুলি একযোগে উন্নতি করতে পারে।’
আরও পড়ুন:
এরপরই বাণিজ্য প্রসঙ্গ এনেছেন ট্রাম্প। সোজাসুজি আরও লিখেছেন, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক গতিশীল থাকলে তা দু’দেশেরই কৃষক এবং শ্রমিকদের উপকার করবে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এহেন চিঠিতে গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। বাংলাদেশের নির্বাচন হওয়ার আগেই অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি করেছিল হোয়াইট হাউস। এবার তারেক মসনদে বসতেই বাণিজ্য সংক্রান্ত নিজের ‘কাজ’ অব্যাহত রাখলেন ট্রাম্প।
চলতি বছরের শুরুতেই ৭৫টি দেশের অভিবাসী ভিসা দেওয়ার প্রক্রিয়া স্থগিত করেছে আমেরিকা, তার মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশও। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, হাসিনা পরবর্তী সময়ে কট্টরপন্থীদের উত্থান, সেই সঙ্গে দেশের অরাজক পরিস্থিতি বাংলাদেশিদের মার্কিন মুলুকে ‘ব্রাত্য’ হওয়ার অন্যতম কারণ। এবার তারেকের আমলে সেই সম্পর্ক কোনদিকে বাঁক নেয় সেদিকে নিশ্চিত ভাবেই নজর থাকবে বিশেষজ্ঞদের। তবে সেই সঙ্গে বাণিজ্য বিষয়ে সরাসরি কথা বলে ট্রাম্প বুঝিয়ে দিলেন ‘ঢাক ঢাক গুড় গুড়’ নয়, বাণিজ্য থেকে শুল্ক, অর্থের বিষয়ে তিনি যা বলার সরাসরিই বলবেন।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
