Dinhata | পুজোর আগে অনলাইন ব্যবসায় লাভবান মহিলারা

Dinhata | পুজোর আগে অনলাইন ব্যবসায় লাভবান মহিলারা

খেলাধুলা/SPORTS
Spread the love


অমৃতা চন্দ, দিনহাটা : পুজোর মরশুম মানেই উৎসবের আমেজ। নতুন জামাকাপড়, গয়না, সাজসজ্জা, বিভিন্নরকমের সামগ্রী কেনাকাটা। আর এই সময়টাকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলেছেন বহু মহিলা। কেউ ঘরে বসে তৈরি করছেন হ্যান্ডমেড জুয়েলারি, কেউ আবার শাড়ি বা হ্যান্ডক্র্যাফট সামগ্রী বানিয়ে অনলাইনে বিক্রি করছেন। ডিজিটাল মাধ্যম এবং সোশ্যাল মিডিয়ার আধুনিকতা ব্যবসাকে এতটাই সহজ করে তুলেছে যে, আগের মতো এখন আর বাজারে দোকান খুলে বসতে হয় না। অনলাইনেই ব্যবসা হয়ে যায়। মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট আর কিছু সৃজনশীল আইডিয়াই তাঁদের ব্যবসার মূল হাতিয়ার।
দিনহাটার(Dinhata) ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সাগরিকা কুণ্ডু বলেন, ‘দুই বছর আগেই পুজোর সময় নিজের হাতে জুয়েলারি বানিয়ে ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করি। প্রথমে সেগুলো পরিচিতরা কিনে নিত। এখন রাজ্যের বাইরে থেকেও অর্ডার পাই। পুজোর মরশুমে অর্ডার সামলাতে আমাকে তো হিমসিম খেতে হয়।’
একইরকম অভিজ্ঞতা দিনহাটার(Dinhata) ৪ নম্বর ওয়ার্ডের শাড়ি ব্যবসায়ী পিংকি সাহার। তাঁর কথায়, ‘একেবারে ছোট পরিসরে শাড়ির ব্যবসা শুরু করেছিলাম। কিন্তু ফেসবুকে প্রচারের দৌলতে এখন ক্রেতার সংখ্যা বেড়েছে। পুজোর আগে ৩০ থেকে ৪০টি শাড়ি বিক্রি করি। এটা আমার বাড়তি আয়ের বড় উৎস।’
অনেকেই জানান, কোভিড পরবর্তী সময়ে অনলাইন শপিংয়ের প্রতি মানুষের ঝোঁক বেড়েছে। তাই ছোট ব্যবসায়ীদের জন্য এই সময় আরও সুযোগ তৈরি হয়েছে। মহিলাদের জন্য এটি একটি বড় প্ল্যাটফর্ম। কারণ, তাঁরা ঘরে বসেই নিজের সময়মতো ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন। সংসারের কাজ সামলানোর পাশাপাশি বাড়তি আয় পরিবারের আর্থিক স্বস্তি আনে। তবে এই ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে হলে মান বজায় রাখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন অনেকে। সময়মতো ডেলিভারি দেওয়া এবং গ্রাহকদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলা জরুরি বলে মনে করেন তাঁরা।
শহরের অপর এক জুয়েলারি ব্যবসায়ী আরতি চন্দ ঘোষ বললেন, ‘বছরের বিভিন্ন সময় মেলায় এবং বাড়ি থেকে জুয়েলারি বিক্রি করি। কিন্তু পুজোর সময় প্রচুর অর্ডার আসে বাইরে থেকে। অর্ডার মেটাতে গিয়ে আর সময় কুলিয়ে ওঠে না। আর এতে বাড়তি আয় তো হয়ই।’
মোটের ওপর অনলাইন প্ল্যাটফর্ম আজ মহিলাদের জন্য এক নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে। তাঁরা আর শুধু ক্রেতা নন বরং সফল উদ্যোক্তা হিসেবেও নিজেদের পরিচয় তৈরি করছেন। পুজোর আগে তাঁদের এই উদ্যোগ কেবল আর্থিক লাভই নয়, আত্মবিশ্বাসও এনে দিচ্ছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *