Dhupguri | সেতু ভেঙে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, ভোগান্তিতে কালীরহাট ও ভান্ডানির বাসিন্দারা

Dhupguri | সেতু ভেঙে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, ভোগান্তিতে কালীরহাট ও ভান্ডানির বাসিন্দারা

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


শুভাশিস বসাক, ধূপগুড়ি: দীর্ঘদিন ধরেই ধুঁকছিল এলাকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সেতুটি। চটে গিয়েছিল পিচের আস্তরণ। কঙ্কালসার সেতুর এদিক-ওদিক থেকে উঁকি মারত কংক্রিট ঢালাইয়ের সময় ব্যবহৃত রড। মঙ্গলবার সেই আশঙ্কা সত্যি করে অবশেষে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে গেল সেতুটি। যার জেরে কালীরহাট থেকে ভান্ডানি এলাকার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ল (Dhupguri)। টুকলিমারি এলাকায় সেতু বিভক্ত হতেই দুই পাশে গাছের ডাল লাগিয়ে চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হল।

দীর্ঘদিন ধরে ভান্ডানি ও কালীরহাটের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষাকারী সেতুটি সংস্কারের অভাবে ধুঁকছিল। বর্তমান হতশ্রী দশায় সেতুর রেলিং পর্যন্ত দেখা যাচ্ছিল। জানা গিয়েছে, মূলত ভারী বৃষ্টির কারণে হঠাৎ সেতুর জয়েন্ট খুলে মাঝামাঝি দুই অংশে ভাগ হয়ে গিয়েছে এবং একপাশ নীচের দিকে বসে গিয়েছে। এদিন সকালে বেশ কিছু গাড়িতে কৃষিজ পণ্য বোঝাই করে ধূপগুড়ি হাটে নিয়ে এসেছিলেন কৃষকরা। কিন্তু ফেরার পথে আর ওই রাস্তার ব্যবহার করতে পারেননি তাঁরা। বাধ্য হয়ে ঘুরপথে যাতায়াত করতে হচ্ছে। গধেয়ারকুঠি গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দা নীলকান্ত রায়ের কথায়, ‘এলাকার মানুষের যাতায়াতের জন্য সেতুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আচমকা ভেঙে যাওয়ায় হাঁটাপথ বা সড়কপথে কালীরহাট ও গধেয়ারকুঠি, দুই গ্রামের বাসিন্দারা ব্যাপক সমস্যার মুখে পড়বেন। বিষয়টি প্রশাসনিক স্তরে এর আগে বহুবার জানানো হয়েছে। এবার ভেঙে পড়ার পর দ্রুত নতুন করে সেতু তৈরি করা প্রয়োজন।’

ধূপগুড়ির মহকুমা শাসক পুষ্পা দোলমা লেপচা বলেন, ‘আগেই সেতু নির্মাণের জন্য প্রকল্পের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। ফের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা শুরু করা হয়েছে।’

সেতু ভেঙে যাওয়ায় ভান্ডানি থেকে কালীরহাটের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এলাকার মানুষকে এবার থেকে ঘুরপথে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরত্ব বেশি অতিক্রম করে যাতায়াত করতে হবে। বাসিন্দাদের কথায়, ডাউকিমারি বা জলঢাকা হয়ে ঘুরপথে যাতায়াত করতে হবে। দক্ষিণ ঝাড় আলতার বাসিন্দা শংকরচন্দ্র সরকার বলেন, ‘সেতু ভেঙে যাওয়ায় ভান্ডানি ও কালীরহাটের মধ্যে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেল। এতে সাধারণ মানুষ থেকে কৃষক, প্রত্যেকেই সমস্যায় পড়েছেন৷ কৃষিজপণ্য ঘুরপথে নিয়ে যেতে অনেক সমস্যা যেমন হবে, তেমনই খরচ অনেকটাই বাড়বে। দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের প্রয়োজন রয়েছে।’

গধেয়ারকুঠি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান বিজয় রায় বলেন, ‘এর আগেও দুর্বল সেতু বলে ঘোষণা করা হয়েছিল। এরই মধ্যে সেতুর মাঝবরাবর ভেঙে পড়েছে। বিষয়টি ওপরমহলে জানানো হয়েছে। নতুন করে সেতু নির্মাণ করা হলে গ্রামের বাসিন্দারা স্থায়ীভাবে সমস্যার হাত থেকে মুক্তি পাবেন। যদি সংস্কার করা হয়, একইভাবে ভবিষ্যতে সমস্যা হতে পারে বলে আশঙ্কা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *