শুভাশিস বসাক, ধূপগুড়ি: গ্রামে ঢোকে না অ্যাম্বুল্যান্সও। আর তাই রবিবার গ্রাম থেকে দূরে অ্যাম্বুল্যান্স দাঁড় করিয়ে রোগীকে হেঁটেই বাড়িতে ঢুকতে হল। ঘটনাটি ধূপগুড়ি ব্লকের দক্ষিণ কাঠুলিয়া এলাকার (Dhupguri)।
গ্রামের বাসিন্দাদের অভিযোগ, কাঁচা রাস্তায় চলাচল করাই দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে। ওই রাস্তা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছেও অভিযোগ জানিয়ে কোনও সুরাহা হয়নি। কোনও গাড়ি ঢুকলে পাশের নালায় পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এজন্য কোনও চালক ঝুঁকি নিতে চান না।
এলাকার বাসিন্দা বিষ্ণু রায় গত কয়েকদিন ধরে শিলিগুড়িতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এদিন হাসপাতাল থেকে ফেরার সময় গ্রামে অ্যাম্বুল্যান্স না ঢোকায় তাঁকে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তা পেরিয়ে বাড়িতে ঢুকতে হয়। এতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন বিষ্ণু ও তাঁর পরিবার। বিষ্ণু বলেন, ‘অপারেশন করিয়ে বাড়িতে আসছি। কিন্তু অ্যাম্বুল্যান্স বাড়ি পর্যন্ত যেতে পারেনি। এই অবস্থায় এক কিলোমিটার হাঁটা যে কী কষ্টের! একাধিকবার ব্লকে প্রশাসনকে জানিয়েও সুরাহা হয়নি। কাঁচা রাস্তায় আমাদের এভাবে কাদায় চলাচল করা আতঙ্ক হয়ে উঠছে।’
দক্ষিণ কাঠুলিয়ার মধুরপুল এলাকা থেকে আশপাশের রাস্তার অবস্থা শোচনীয়। বিজেপি পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েতের বোর্ডও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। রাস্তার যে অংশ বেহাল হয়ে রয়েছে, তা মেরামত বা নতুন করে তৈরি করতে গ্রাম পঞ্চায়েতের তহবিল যথেষ্ট নয়। পঞ্চায়েত সমিতি বা জেলা পরিষদের তহবিল প্রয়োজন রয়েছে। এনিয়ে আগেও একাধিকবার গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।
গধেয়ারকুঠির পঞ্চায়েত প্রধান বিজয় রায় বলেন, ‘ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েও সাড়া মেলেনি। এরপর আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধানেও রাস্তা নিয়ে কথা বলব।’
