“৩০০ কোটির প্রোপাগান্ডা ছবিকে আমিই শেষ করব…”, গত ডিসেম্বর মাসেই ‘ধুরন্ধর’কে ধূলিসাৎ করার চ্যালেঞ্জ ছুড়েছিলেন ধ্রুব রাঠি। বক্স অফিসে যখন সেই সিনেমা বিজয়রথ ছোটাচ্ছিল, তখন ‘বিজেপির প্রোপাগান্ডা’র তকমা সেঁটে ছবির ব্যবসা বন্ধ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তিনি। পালটা ইনফ্লুয়েন্সারকে মোক্ষম জবাব ছুড়তে ছাড়েননি আদিত্য ধর। ধ্রুবকে ‘ভিডিও মেকার’ বলে বিদ্রুপ করে পরিচালক বলেছিলেন, “ছাব্বিশেও ‘ধুরন্ধর’ সুনামি অব্যাহত থাকবে।” ১৯ মার্চ, বৃহস্পতিবার সিক্যুয়েল রিলিজের পয়লা দিনে সেকথাই যেন অক্ষরে অক্ষরে ফলে গেল! এবারেও আক্রমণ শানালেন ধ্রুব রাঠি।
যদিও প্রথমভাগের মতো এখনও বিতর্ক, সমালোচনা সিক্যুয়েলের সঙ্গী হয়নি, তবে ধ্রুব রাঠির মন্তব্য যেন সেই ‘সলতে’তেই আগুন দিল! এক্স হ্যান্ডেলে ‘ধুরন্ধর ২’ পরিচালককে বিঁধে ধ্রুব রাঠি লিখেছেন, “৩ মাস আগে আদিত্য ধরকে বিজেপির প্রোপাগান্ডিস্ট (প্রচারক) বলে সম্বোধন করেছিলাম আমি। কারণটা তো এখন সকলে দেখতেই পাচ্ছেন।…”
আরও পড়ুন:
ওপেনিং ইনিংসেই যে বক্স অফিসে বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’, তা বললেও অত্যুক্তি হয় না! বিশ্বজুড়ে ২৪০ কোটির ব্যবসা করে দক্ষিণী ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির রেকর্ডও দুরমুশ করে দিয়েছে। যদিও প্রথমভাগের মতো এখনও বিতর্ক, সমালোচনা সিক্যুয়েলের সঙ্গী হয়নি, তবে ধ্রুব রাঠির মন্তব্য যেন সেই ‘সলতে’তেই আগুন দিল! এক্স হ্যান্ডেলে ‘ধুরন্ধর ২’ পরিচালককে বিঁধে ধ্রুব রাঠি লিখেছেন, “৩ মাস আগে আদিত্য ধরকে বিজেপির প্রোপাগান্ডিস্ট (প্রচারক) বলে সম্বোধন করেছিলাম আমি। কারণটা তো এখন সকলে দেখতেই পাচ্ছেন। আগের সিনেমায় বিষয়টা ধূর্তভাবে পরিবেশন করলেও এবার কিন্তু অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসের জেরে নির্লজ্জের মতো প্রোপাগান্ডা ফুটিয়ে তুলেছেন। মনে আছে আমি বলেছিলাম, সূচারুভাবে তৈরি প্রোপাগান্ডা আরও বিপজ্জনক? কিন্তু এবার তো পরিবেশনায় ‘সুনিপুণতা’র ছাপও রইল না!” ধ্রুব রাঠির এহেন মন্তব্যের পরই নেটভুবনে শোরগোল!


নেটবাসিন্দাদের একাংশ যেমন পয়লা দিনেই ব্লকবাস্টার হওয়া সিনেমার সমালোচনা সহ্য করতে না পেরে ইউটিউবারকে কটাক্ষ করেছেন। আরেকাংশ আবার ধ্রুব রাঠির কথায় ‘বেদবাক্য’ খুঁজে পেয়েছেন! এই অবশ্য প্রথম নয়, গতবার ইনফ্লুয়েন্সার বলেছিলেন, “এই ৩০০ কোটির প্রোপাগান্ডা সিনেমাকে ধূলিসাৎ করার জন্য একটা ইউটিউব ভিডিওই যথেষ্ট। আর আমি নিশ্চিত করে বলছি যে এই ভিডিওটা দেখার পর ‘ধুরন্ধর’ নিয়ে আপনার অত্যন্ত খারাপ ধারণা জন্মাবে। নির্মাতারা এই ভিডিওটার জন্য প্রস্তুত নন।।” এখানেই অবশ্য থামেননি তিনি। পরিচালকের উদ্দেশে তোপ দেগে ধ্রব রাঠি বলেছিলেন, “আদিত্য ধর সত্যিই বলিউডে সস্তা বিনোদনের সীমা অতিক্রম করে গিয়েছেন। তাঁর সর্বশেষ ছবির ট্রেলারে দেখানো চরম সহিংসতা, রক্তপাত এবং নির্যাতনকে ‘বিনোদন’ বলছেন। অর্থের প্রতি তাঁর লোভ এতটাই অপ্রতিরোধ্য যে ইচ্ছাকৃতভাবে তরুণ প্রজন্মের মনকে বিষাক্ত করছেন। অকল্পনীয় নির্যাতনকে মহিমান্বিত করছেন। সেন্সর বোর্ডের কাছে এটাই সুযোগ চুম্বন বা খোলামেলা ত্বক দেখানোর চেয়েও এটাকে বড় সমস্যা হিসেবে তুলে ধরার।” এবার সিক্যুয়েল মুক্তির পরও ‘ধ্রববাণ’ থেকে রেহাই পেলেন না ধুরন্ধর পরিচালক আদিত্য ধর।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
