Delhi | দিল্লি হাইকোর্টে বোমা হামলার হুমকি, দীর্ঘ তল্লাশিতে মিলল না কিছুই!

Delhi | দিল্লি হাইকোর্টে বোমা হামলার হুমকি, দীর্ঘ তল্লাশিতে মিলল না কিছুই!

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: শুক্রবার দিল্লি হাইকোর্টে একটি ইমেল মারফত বোমা হামলার হুমকি আসার পর আদালত চত্বরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। এই হুমকির জেরে সমস্ত এজলাস বন্ধ করে দিয়ে বিচারক, আইনজীবী ও কর্মীদের দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হয়। দীর্ঘ তল্লাশির পর অবশ্য কোনও ধরনের সন্দেহজনক বস্তু পাওয়া যায়নি। পুলিশের তরফে এটিকে একটি ভুয়ো হুমকি বলে অভিহিত করা হয়েছে।

প্রাপ্ত হুমকি ইমেলটি কানিমোঝি থেভিডিয়া (Kanimozhi Thevidiya) নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে পাঠানো হয়েছিল। ইমেলটিতে বলা হয় যে, দিল্লি হাইকোর্টের বিচারকদের কক্ষে শীঘ্রই বিস্ফোরণ ঘটানো হবে। এছাড়া, এতে আরও দাবি করা হয় যে, ১৯৯৮ সালের কোয়েম্বাটোর বিস্ফোরণের ঘটনাটি পুনরায় ঘটানো হবে। এছাড়াও তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম. কে. স্ট্যালিনের ছেলে উদয়নিধি স্ট্যালিনের পুত্র ইনবানিধির উপর অ্যাসিড হামলারও হুমকি দেওয়া হয়।

ইমেলটিতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যও স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়। বলা হয়, বিজেপি বা আরএসএস-এর বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য ধর্মনিরপেক্ষ দলগুলি বংশীয় রাজনীতি ও দুর্নীতির উপর নির্ভর করে। রাহুল গান্ধি এবং উদয়নিধি স্ট্যালিনের মতো রাজনৈতিক উত্তরাধিকারীদের ক্ষমতা থেকে দূরে রাখা হলে তাঁরা আর আরএসএস-এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আগ্রহ পাবে না। ইমেলটিতে ডঃ এঝিলান নাগানাথন-কে ডিএমকে দলের দায়িত্ব নেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। এর পাশপাশি দাবি করা হয় যে, এটি একটি “অভ্যন্তরীণ কাজ”, যেখানে পুলিশের মধ্যেকার কিছু ব্যক্তি ২০১৬ সাল থেকে এই “পবিত্র শুক্রবারের” জন্য প্রস্তুত ছিল।

হুমকি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বোমা সনাক্তকরণ ও নিষ্ক্রিয়করণ দল (Bomb Detection and Disposal Crew) ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে। জোর তল্লাশি চালানোর পরও কোনও বোমা বা বিস্ফোরক খুঁজে পাওয়া যায়নি। কর্মকর্তারা জানান, এটি সাম্প্রতিক সময়ে দিল্লিতে ঘটে যাওয়া একাধিক ভুয়ো বোমা হুমকির মতোই একটি ঘটনা।

প্রসঙ্গত, এই ঘটনার কয়েক দিন আগেই দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী সচিবালয়, মৌলানা আজাদ মেডিকেল কলেজ (MAMC) এবং ইউনিভার্সিটি কলেজ অফ মেডিকেল সায়েন্স (UCMS)-এ একই ধরনের ভুয়ো বোমা হুমকি এসেছিল। ওই হুমকি ইমেলে বলা হয়েছিল যে, এক কিলোমিটার জুড়ে বিস্ফোরণ ঘটানোর ক্ষমতা সম্পন্ন আরডিএক্স বিস্ফোরক ওইসব জায়গায় রাখা হয়েছে। এছাড়াও, গত মাসে দিল্লির অন্তত ২০টি কলেজে একই ধরনের হুমকি ইমেল পাঠানো হয়েছিল, যা পরে ভুয়ো বলে প্রমাণিত হয়। তদন্তকারীরা মনে করছেন, হুমকি পাঠানোর জন্য ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (VPN) ব্যবহার করা হয়েছিল, যাতে প্রেরকের পরিচয় গোপন থাকে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *