কোচবিহার: বাবার মতো ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে পাড়ি দিয়েছিলেন রাজস্থানের কোটায়। কিন্তু এক নিমেষেই সব শেষ। কোটার তালওয়ান্দি এলাকায় একটি বহুতল ভেঙে মৃত্যু হলো কোচবিহারের ২০ বছর বয়সী তরুণ অনরণ্য কর্মকারের। এই ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে রাজস্থানের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তাঁর মা সুদীপ্তা কর্মকার (Cooch Behar Pupil Demise)।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কোচবিহার শহরের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা অনরণ্য কোটায় জয়েন্ট এন্ট্রান্সের কোচিং নিচ্ছিলেন। সেখানে মায়ের সঙ্গেই থাকতেন তিনি। শনিবার রাতে মা ও ছেলে মিলে তালওয়ান্দির একটি রেস্তোরাঁয় খেতে গিয়েছিলেন। সেই সময়ই আচমকা হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে বহুতলটি। ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েন অনরণ্য ও তাঁর মা সহ বহু মানুষ। উদ্ধারকাজ শুরু হলে দেখা যায়, ঘটনাস্থলেই অনরণ্য সহ আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে।
অনরণ্যের বাবা অভিজিৎ কর্মকার একজন প্রাক্তন সরকারি ইঞ্জিনিয়ার। দিনকয়েক আগেই তিনি কোটা থেকে কোচবিহারের বাড়িতে ফিরেছিলেন। ছেলের মৃত্যুর খবর পেয়েই কান্নায় ভেঙে পড়ে পরিবার। রাতেই তিনি রাজস্থানের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন। কোচবিহারের পুলিশ সুপার সন্দীপ কাররা বিষয়টিকে অত্যন্ত দুঃখজনক বলে অভিহিত করেছেন।
বর্তমানে অনরণ্যের মা রাজস্থানে চিকিৎসাধীন থাকলেও তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে। মেধাবী এক তরুণের এমন মর্মান্তিক পরিণতিতে গোটা কোচবিহার শহরে শোকের আবহ।
