কোচবিহার: রবিবার কোচবিহারের (Cooch Behar) ঐতিহাসিক রাসমেলা মাঠে আয়োজিত হতে চলেছে বিজেপির (BJP) মেগা জনসভা। এই সভা থেকেই উত্তরবঙ্গে আনুষ্ঠানিক সূচনা হতে চলেছে বিজেপির ‘পরিবর্তন সংকল্প যাত্রা’র (Parivartan Sankalp Yatra)। সভার প্রধান আকর্ষণ বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন (Nitin Nabin)। তিনি দুপুর ২টো নাগাদ হেলিকপ্টারে কোচবিহার বিমানবন্দরে নামবেন এবং সরাসরি রাসমেলা মাঠের জনসভায় অংশ নিয়ে পরিবর্তন সংকল্প যাত্রার সূচনা করবেন তিনি।
এদিনের কর্মসূচিতে থাকছে বিশেষ চমক। একটি সুসজ্জিত মূল ট্যাবলো রথের আদলে তৈরি করা হয়েছে, যা এই যাত্রার নেতৃত্বে থাকবে। এছাড়া আরও আটটি ছোট প্রচার ট্যাবলো এবং বাইক আরোহী কর্মীরা এই যাত্রায় অংশ নেবেন। সংকল্প যাত্রা শুরুর আগে বিজেপির জেলা নেতৃত্ব মদনমোহন বাড়িতে পুজো দেবেন। প্রথম দিন অর্থাৎ রবিবার সংকল্প যাত্রার সূচনার পর সেটি রাসমেলা মাঠ থেকে গুঞ্জবাড়ি পর্যন্ত যাবে। এরপর দোল উৎসবের জন্য বন্ধ থাকার পর ৫ মার্চ থেকে ফের শুরু হবে। সেদিন যাত্রা খাগড়াবাড়ি দিয়ে শীতলকুচিতে পৌঁছাবে। সেখানে একটি সভা হওয়ার পর মাথাভাঙ্গা হয়ে কোচবিহারে ফিরে আসবে। ৬ মার্চ ঘুঘুমারি, জিরানপুর, বলরামপুর, তুফানগঞ্জ হয়ে সেটি আলিপুরদুয়ারে প্রবেশ করবে। তবে পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, বিজেপির এই সংকল্প যাত্রা দিনহাটা ও সিতাইয়ে যাবে না।
এদিকে, এই সভাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপও তুঙ্গে। গ্রামগঞ্জ থেকে আসা কর্মীদের উপর তৃণমূল হামলা চালাতে পারে বলে পদ্ম নেতাদের আশঙ্কা। কোথাও হামলা হলে তার পালটা আক্রমণ করা হবে বলে তাঁরা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। দলের জেলা সভাপতি অভিজিৎ বর্মন বলেছেন, ‘তৃণমূল আমাদের উপর আক্রমণ করলে আমরা চুপ করে বসে থাকব না। প্রশাসনের সহযোগিতা না পাওয়ায় আমরা হাইকোর্টের অনুমতি নিয়েই সভা করছি। এখান থেকেই পরিবর্তন সংকল্প যাত্রার সূচনা হবে।’
বিজেপির এই হাইভোল্টেজ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাসমেলা মাঠ ও সংলগ্ন এলাকায় কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়ে তোলা হয়েছে। জেলা বিজেপির দাবি, এই সংকল্প যাত্রাই উত্তরবঙ্গে পরিবর্তনের ডাক দেবে।
