Cooch Behar | অবৈধভাবে মাটি কাটা প্রায় বন্ধ হতেই কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ মৃৎশিল্পীদের

Cooch Behar | অবৈধভাবে মাটি কাটা প্রায় বন্ধ হতেই কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ মৃৎশিল্পীদের

খেলাধুলা/SPORTS
Spread the love


কোচবিহার: অক্টোবরের মাঝামাঝি দুর্গাপুজো। তার আগেও গণেশ, বিশ্বকর্মা, বাড়ির নানা পুজোর মূর্তি তৈরির প্রস্তুতি মিলিয়ে কুমোরটুলিগুলিতে ব্যস্ততা নেহাত কম নয়। কিন্তু এর মাঝেই অবৈধভাবে মাটি কাটা বন্ধ হতেই প্রতিমা তৈরির মাটি জোগাড় করতে গিয়ে রীতিমতো হিমসিম খেতে হচ্ছে মৃৎশিল্পীদের। রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদল হতেই অবৈধভাবে মাটি কাটা প্রায় বন্ধ। আর এতেই মাটির জোগান কমেছে কুমোরটুলিগুলিতে।

দীর্ঘদিন ধরেই প্রতিমা তৈরির প্রয়োজনীয় মাটি অবৈধ উপায়ে সংগ্রহ করত মাটি কারবারিদের একাংশ। সূত্রের খবর, মাটি কারবারিদের একাংশ এতদিন অবৈধভাবে মাটি তোলায় সরকারের রয়্যালটি ফাঁকি পড়ত। এতে শিল্পীরা কিছুটা হলেও কম দামে মাটি পেতেন। কিন্তু বর্তমানে প্রশাসনিক কড়াকড়িতে অবৈধভাবে মাটি কাটা কার্যত বন্ধ। ফলে মাটির জোগান কমার সঙ্গে সঙ্গে ঊর্ধ্বমুখী তার দাম। আর এতে কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ মৃৎশিল্পীদের। শহরের গুঞ্জবাড়ি এলাকার মৃৎশিল্পী কানাই পালের কথায়, ‘আগে এক ক্যান্টার এঁটেল মাটি ২৫০০ টাকায় এবং দোঁয়াশ মাটি দুই হাজার টাকায় কিনতাম। এখন গাড়িপ্রতি প্রায় হাজার টাকা দাম বেড়ে গিয়েছে। কখনও আবার মাটি পাওয়াই হয়ে উঠছে দুষ্কর। এর ফলে প্রতিমা তৈরি করতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।’

কোচবিহার শহরের পালপাড়ায় কয়েকটি প্রতিমা তৈরির কারখানা রয়েছে। এছাড়াও গুঞ্জবাড়ি সহ বিভিন্ন জায়গাতেও ছড়িয়ে-ছিটিয়ে কয়েকটি কারখানা। এতদিন কোচবিহারের মৃৎশিল্পীরা মূলত চিলাখানা থেকেই মাটি নিয়ে আসতেন। এদিন মৃৎশিল্পীদের কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, মাটি কারবারিদের থেকে মাটি সংগ্রহের পর পরিবহণ খরচ এবং আনুষঙ্গিক খরচ মিলিয়ে যে দাম পড়ছে তাতে প্রতিমার খরচ অনেকটাই বেড়ে যাচ্ছে। মৃৎশিল্পী সুজিত পাল বলেন, ‘আগে তাও কম দামে মাটি পাওয়ায় লাভের মুখ দেখা যেত। এখন যে দামে মাটি কিনতে হচ্ছে তাতে মূলধন ওঠানোই চ্যালেঞ্জের। তবুও আগের কিছু মাটি থাকায় তা দিয়েই আপাতত কাজ চালাচ্ছি।’

মাটির এই আচমকা মূল্যবৃদ্ধিতে মৃৎশিল্পীদের আশঙ্কা, সব মিলিয়ে প্রতিমা তৈরির খরচ যেভাবে বাড়ছে এরপর প্রতিমার দাম না বাড়ালে সংসার চালানো কষ্টকর হয়ে পড়বে। মৃৎশিল্পী রবি পাল এদিন কাজের ফাঁকেই বলে উঠলেন, ‘পুজোর অর্ডার ইতিমধ্যেই আসতে শুরু করেছে। আচমকা মাটির দাম বাড়ায় হাতে কাজ থাকলেও তা শুরু করতে পারছি না।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *