Cooch Behar | অধিকাংশ বিয়ের খবর পাচ্ছে না পুলিশ, শীতলকুচিতে বাড়ছে নাবালিকা বিয়ে

Cooch Behar | অধিকাংশ বিয়ের খবর পাচ্ছে না পুলিশ, শীতলকুচিতে বাড়ছে নাবালিকা বিয়ে

খেলাধুলা/SPORTS
Spread the love


শীতলকুচি: বিয়ের মরশুম পড়তেই প্রশাসনের নজর এড়িয়ে একের পর এক নাবালিকার বিয়ে দেওয়া হচ্ছে শীতলকুচি ব্লকের বিভিন্ন এলাকায়। কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নাবালিকা বিয়ে বন্ধে রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সরকার নানা প্রকল্প চালু করেছে। এরপরেও শীতলকুচির গ্রামীণ এলাকাগুলিতে নাবালিকার বিয়ের প্রবণতা কমছে না। কয়েক মাসে বেশ কয়েকটি নাবালিকার বিয়ের ঘটনা ঘটেছে এই ব্লকে। বৃহস্পতিবার রাতেও শীতলকুচির খানুয়ারডাঙ্গায় দুই নাবালিকার বিয়ে দেওয়া হয়। অথচ প্রশাসন সে বিষয়ে কিছুই জানতে পারেনি। শীতলকুচি থানার ওসি অ্যান্থনি হোড়ো বললেন, ‘পুলিশ নাবািলকা বিয়ের অভিযোগ পেলে তৎক্ষণাৎ পদক্ষেপ করেছে। বিয়ে বন্ধ করে অভিভাবকদের দিয়ে মুচলেকা েদওয়ানো হয়েছে। তবে নজর এড়িয়ে বিয়ে দিয়ে থাকলে অভিভাবকদের ডাকা হবে।’

একাধিক নাবালিকা বিয়ের কথা পুলিশ জানতে পারছে না। বা জানতে পারলেও তখনকার মতো বিয়ে আটকে দিচ্ছে। পরে ঠিকই কোনওভাবে অন্য জায়গা থেকে বিয়ে দিয়ে দেওয়া হচ্ছে। গত সপ্তাহে এরকমই একটি ঘটনা ঘটেছে নওদাবস এলাকায়। সেখানকার এক ১৭ বছর বয়সি নাবালিকার বিয়ের আয়োজন করেছিল পরিবার। পুলিশ জানতে পেরে বিয়েবাড়িতে হানা দিয়ে বিয়ে আটকে দেয়। নাবালিকার পরিবারের সদস্যরা ১৮ বছরের আগে বিয়ে না দেওয়া নিয়ে মুচলেকাও দেয়। পরে জানা গিয়েছে, অন্য জায়গায় নিয়ে গিয়ে ওই নাবালিকার বিয়ে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় এক বাসিন্দার কথায়, ‘অধিকাংশ নাবালিকা বিয়ের ঘটনা পুলিশ ও প্রশাসনের নজরে এলেও তারা সঠিক পদক্ষেপ করে না। পুলিশ বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়ে অভিভাবকদের আঠারো বছর আগে বিয়ে না দেওয়ার মুচলেকা নিয়ে চলে আসে। পরে স্থানীয় মাতব্বরদের সহযোগিতায় বিয়ে হয়ে যায়। এবিষয়ে প্রশাসন কড়া ব্যবস্থা নিলে নাবালিকা বিয়ে বন্ধ করা সম্ভব।’

সম্প্রতি আরেকটি নাবালিকা বিয়ের ঘটনা ঘটেছে বামনডোবা গ্রামে। সেখানে কোনও জাঁকজমক ছাড়াই পুরোহিতকে ডেকে বিয়ে দিয়ে দেওয়া হয়। শীতলকুচির বিডিও সোফিয়া আব্বাস বললেন, ‘আগাম খবর পেলে ব্লক প্রশাসনের তরফে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এধরনের বেশ কয়েকটি অভিযোগ শীতলকুচি থেকে মিলেছে।’ তাঁর সংযোজন, ‘নাবালিকা বিয়ে রুখতে ব্লক প্রশাসনের তরফে স্কুলগুলিতে সচেতনতা শিবিরের আয়োজন করা হবে। যাতে পড়ুয়ারা নিজে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে পারে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *