দেশজুড়ে বিরোধী শিবিরে ভাঙনের যে প্রবণতা শুরু হয়েছে, তা প্রবল ভাবে দেখা যাচ্ছে মহারাষ্ট্রেও। মহাবিকাশ আঘাড়ির মধ্যে টালমাটাল পরিস্থিতিতে শরদ পওয়ারের সঙ্গে একনাথ শিণ্ডের বৈঠক নিয়ে শোরগোলের মধ্যেই কংগ্রেসের দাবি, পওয়ারের এনসিপির পাঁচ থেকে ছ’জন বিধায়ক অত্যন্ত অস্থিরচিত্ত হয়ে পড়েছেন! তাঁরা যে কোনও সময় দল ছাড়তে পারেন বলেই আশঙ্কা হাত শিবিরের।
মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পৃথ্বীরাজ চৌহানের মন্তব্য, ”শরদ পওয়ারের এনসিপির পাঁচ থেকে ছ’জন বিধায়ককে অস্থিরচিত্ত হয়ে পড়তে দেখছি। ওঁরা কী করবেন তা এখনও পরিষ্কার নয়, কিন্তু সকলেই ছটফট করছেন।” চৌহান অভিযোগ করছেন, মোদি ও শাহ ওই বিধায়কদের নিয়মিত ‘ধাওয়া’ করছেন। তাঁর কথায়, ”বিরোধী দলের অস্তিত্ব থাকুক, এমনটা ওঁরা চান না। উদ্ধব ঠাকরের শিব সেনার ভাগ্যে যা ঘটেছে, পওয়ার সাহেবের এনসিপি-র ক্ষেত্রেও ঠিক তেমনটাই ঘটতে পারে।” তবে এহেন মন্তব্য যে এনসিপি ভালো ভাবে নিচ্ছে না তা পরিষ্কার করে দিয়েছেন জয়ন্ত পাটিল। তিনি বলেছেন, ”কেউ কোথাও যাচ্ছে না। আমাদের ৮ সাংসদ ও ১০ বিধায়ক ঐক্যবদ্ধ রয়েছেন। অন্য একটা দলের এই ধরনের আন্দাজ করার প্রবণতা ঠিক নয়। যদি এবার আমি কংগ্রেস বিধায়কদের নিয়ে মন্তব্য করা শুরু করি, কেমন হবে? কিছু না ঘটা পর্যন্ত এমন মন্তব্য একেবারেই কাম্য নয়।”
আরও পড়ুন:
এদিকে মহারাষ্ট্রের বিধানসভায় একনাথ শিণ্ডের সঙ্গে শরদ পওয়ারর বৈঠক ঘিরেও জলঘোলা হতে শুরু করেছে। যে ব্যক্তি শিব সেনায় ভাঙন ধরিয়ে উদ্ধব ঠাকরের সরকারের পতন ঘটিয়েছিলেন, তাঁর সঙ্গে পওয়ারের মতো সিনিয়র নেতার বৈঠক ঘিরে নানান জল্পনা শুরু হয়েছে। উদ্ধবের শিব সেনার উল্লেখযোগ্য নেতা সঞ্জয় রাউত বলছেন, ”বৈঠকের জন্য পওয়ার সাহেব কেন শিণ্ডের কক্ষটি বেছে নিলেন? পুরো বিধান ভবন কি জনশূন্য ছিল?” সব মিলিয়ে অস্বস্তিতে মহাবিকাশ আঘাড়ি।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
