College of Gour Banga | অরক্ষিত গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়! নেই সীমানা প্রাচীর, মদের আসর থেকে বহিরাগতদের উপদ্রবে তটস্থ পড়ুয়ারা

College of Gour Banga | অরক্ষিত গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়! নেই সীমানা প্রাচীর, মদের আসর থেকে বহিরাগতদের উপদ্রবে তটস্থ পড়ুয়ারা

ব্লগ/BLOG
Spread the love


অরিন্দম বাগ, মালদা: ফের নিরাপত্তা (College Safety) ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্নের মুখে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় (College of Gour Banga)। বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে সীমান্ত এলাকায় ১৪৬ মিটার অংশে সীমানা প্রাচীর নেই। পড়ুয়াদের একাংশের অভিযোগ, বহিরাগতরা অনায়াসেই সেখান দিয়ে ক্যাম্পাসে ঢুকে পড়ছেন। বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর থেকে উদ্ধার হচ্ছে মদের বোতলও। অবিলম্বে ওই অংশে সীমানা প্রাচীর তৈরির ব্যবস্থা করে আলো সহ সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর দাবি তুলেছেন পড়ুয়াদের একাংশ।

অঙ্ক বিভাগের তৃতীয় সিমেস্টারের ছাত্র জিৎকুমার ঘোষ জানালেন, এর আগে তাঁদের বিভাগেরই এক পড়ুয়াকে বাইরে থেকে এক তরুণ এসে চাকু মারার চেষ্টা করেছিল। বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে পুকুরপাড়ে থাকা পুরোনো ক্যান্টিনের অংশে অনেকটা জায়গায় সীমানা প্রাচীর নেই। সেই অংশ দিয়ে ঢুকে বহিরাগতরা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে ঘোরাফেরা করছে। বাচ্চারা এসে ঘুড়ি ওড়াচ্ছে। এমনকি ক্যাম্পাসে মদের বোতলও পড়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে। তাঁর কথায়, ‘ক্যাম্পাসে মদের বোতল পড়ে থাকা মানে পড়ুয়াদের বদনাম। কিন্তু আসলে তো সেটা নয়। বাইরে থেকে লোকজন এসে এসব করছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আশিস ভট্টাচার্য অবশ্য সীমানা প্রাচীর নিয়ে আশার কথা শোনালেন। তিনি বললেন, ‘আমরা সীমানা প্রাচীরের জন্য পিডব্লিউডিকে আবেদন করেছিলাম। দপ্তরের লোকজন এসে মাপজোখ করে গিয়েছেন। তাঁরা এস্টিমেট দিলেই কাজ শুরু হয়ে যাবে।’

আরেক পড়ুয়া রিম্পা খাতুনও বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরাপত্তাহীনতার কথা বললেন। তিনি জানান, ক্যাম্পাসে বহুবার বহিরাগতদের ঘোরাঘুরি করতে দেখা গিয়েছে। ক্যাম্পাস সংলগ্ন এলাকার ছেলেদের পুকুরে মাছ ধরতেও দেখেছেন। বলেন, ‘শীতের মরশুমে আমাদের ক্লাস শেষ হতে হতে অন্ধকার হয়ে যায়। সেই সময় বাইরে থেকে যে কেউ এসে আমাদের ক্ষতি করতে পারে। আমরা খুবই আতঙ্কে রয়েছি।’

অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের এগজিকিউটিভ কাউন্সিলের সদস্য সাধনকুমার সাহা জানালেন, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থায়ী নিরাপত্তারক্ষী নেই। যাঁরা এর আগে নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন, তাঁরা জানিয়ে দিয়েছিলেন ৩১ জানুয়ারির পর আর তাঁরা দায়িত্ব নেবেন না। বর্তমান কর্তৃপক্ষ এই বিষয়টি জানেন। এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীরের ভাঙা জায়গা দিয়েও অনেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকে অবৈধ কাজ করছেন। অবিলম্বে এটা না আটকালে যে কোনও সময় যে কারও বিপদ ঘটতে পারে। তাঁর বক্তব্য, ‘নতুন উপাচার্য গতবছর ১৮ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দিয়েছেন। এই সময়ে তিনি কেন উদ্যোগ নেননি, তা বুঝতে পারছি না।’ পড়ুয়া জিৎ অবশ্য জানালেন, শুধুমাত্র গেটে কয়েকজন নিরাপত্তারক্ষীকে দেখা যায়। বাকি কোথাও নিরাপত্তারক্ষী দেখা যায় না।

উপাচার্য জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তারক্ষীর দায়িত্বে থাকা কোম্পানির মেয়াদ শেষ হয়েছে, তেমনটা নয়। ওই কোম্পানি নিরাপত্তারক্ষী তুলে নিতে চেয়েছিল। কর্তৃপক্ষের তরফে পরিষেবা চালিয়ে যাওয়ার আবেদন করা হয়েছিল। এরপর নতুন করে টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *