ন্যাশনাল ফুড সিকিউরিটি বা এনএফএসএ ডেটাবেসে নাম আছে। এখনও তৈরি হয়নি আয়ুষ্মান ভারত কার্ড। চলছে ই-কেওয়াইসি যাচাই প্রক্রিয়া। এমন মানুষদের হাসপাতাল থেকে ফিরিয়ে দেওয়া যাবে না। আপাতত স্বাস্থ্যসাথীর আওতায় চিকিৎসা করতে হবে। নয়া এসওপি জারি করল স্বাস্থ্যদপ্তর। কী এই এনএফএসএ ডেটাবেস? মূলত কেন্দ্রীয় সরকারের নির্ধারিত খাদ্যনিরাপত্তা সুবিধা পাওয়ার জন্য চিহ্নিত দারিদ্র পরিবারগুলো এই ডেটাবেসে থাকেন। এদের চিকিৎসা যেন মাঝপথে আটকে না যায় তা নিয়ে উদ্বিগ্ন স্বাস্থ্য দপ্তর।
কখন, কোন প্রকল্পের সুবিধা মিলবে? তা ঠিক করতে হাসপাতালে রোগী ভর্তির ক্ষেত্রে শুক্রবার নতুন নিয়ম বেঁধে দিল স্বাস্থ্য দপ্তর। এই মুহূর্তে কোনও হাসপাতালে স্বাস্থ্যসাথীর সুবিধাপ্রাপক কোনও রোগী এলে প্রথমেই দেখা হবে, তিনি আয়ুষ্মান ভারতের জন্য যোগ্য কি না। যদি তাঁর আয়ুষ্মান কার্ড ইতিমধ্যেই তৈরি হয়ে থাকে, তা হলে প্রথমে ওই প্রকল্পের আওতায় চিকিৎসার প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। তবে ওই ব্যক্তি যদি আয়ুষ্মানের যোগ্য না হন, তখন স্বাস্থ্যসাথীতেই চিকিৎসা হবে।
আরও পড়ুন:
প্রতিটি হাসপাতালকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, উপভোক্তার ই-কেওয়াইসি অসম্পূর্ণ থাকলে এনএইচএ পোর্টালের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। এই মুহূর্তে বঙ্গে স্বাস্থ্যসাথী এবং আয়ুষ্মান ভারত একসঙ্গেই চালু রয়েছে। কখন, কোন প্রকল্পের সুবিধা মিলবে? তা ঠিক করতে হাসপাতালে রোগী ভর্তির ক্ষেত্রে শুক্রবার নতুন নিয়ম বেঁধে দিল স্বাস্থ্য দপ্তর। এই মুহূর্তে কোনও হাসপাতালে স্বাস্থ্যসাথীর সুবিধাপ্রাপক কোনও রোগী এলে প্রথমেই দেখা হবে, তিনি আয়ুষ্মান ভারতের জন্য যোগ্য কি না। যদি তাঁর আয়ুষ্মান কার্ড ইতিমধ্যেই তৈরি হয়ে থাকে, তা হলে প্রথমে ওই প্রকল্পের আওতায় চিকিৎসার প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। তবে ওই ব্যক্তি যদি আয়ুষ্মানের যোগ্য না হন, তখন স্বাস্থ্যসাথীতেই চিকিৎসা হবে।
কোনও কারণে আয়ুষ্মান পোর্টালে সমস্যা দেখা দিলে, হাসপাতালকে ‘ফেসিং ইস্যু’ অপশন বেছে নিতে হবে। কী সমস্যা হয়েছে, তার বিবরণ লিখে স্ক্রিনশট আপলোড করতে হবে। এই তথ্য জমা দেওয়ার পরেই ‘প্রসিড টু স্বাস্থ্যসাথী’ বিকল্প ক্লিক করা যাবে। স্বাস্থ্যসাথী অথবা আয়ুষ্মান কোনও তালিকাতেই নাম না থাকলে, মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমা যোজনার ফর্ম পূরণ করাতে হবে রোগীকে।
নয়া এসওপি অনুযায়ী, হাসপাতালে এই মুহূর্তে রোগী এলেই ভর্তির আগে স্বাস্থ্যসাথীর ট্রানজাকশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (টিএমএস) পোর্টালে আধার নম্বর দিয়ে খোঁজ করতে হবে। কোনও কারণে আয়ুষ্মান পোর্টালে সমস্যা দেখা দিলে, হাসপাতালকে ‘ফেসিং ইস্যু’ অপশন বেছে নিতে হবে। কী সমস্যা হয়েছে, তার বিবরণ লিখে স্ক্রিনশট আপলোড করতে হবে। এই তথ্য জমা দেওয়ার পরেই ‘প্রসিড টু স্বাস্থ্যসাথী’ বিকল্প ক্লিক করা যাবে। স্বাস্থ্যসাথী অথবা আয়ুষ্মান কোনও তালিকাতেই নাম না থাকলে, মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমা যোজনার ফর্ম পূরণ করাতে হবে রোগীকে। অ্যাসোসিয়েশন অফ প্রাইভেট হসপিটালস অ্যান্ড নার্সিংহোমের সম্পাদক রাজীব পাণ্ডে জানিয়েছেন, “সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছিল স্বাস্থ্যসাথী না আয়ুষ্মান ভারত কোন প্রকল্পে মিলবে চিকিৎসা, সরকারি এসওপি-র মাধ্যমে তা এখন অনেকটাই পরিষ্কার করে দেওয়া হল।” সরকারি তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে বর্তমানে প্রায় ৮.৫ কোটি মানুষের নাম নথিভুক্ত রয়েছে। অন্যদিকে, রাজ্যে আয়ুষ্মান ভারত চালুর পর ইতিমধ্যেই ৩.৪ কোটি মানুষ নথিভুক্ত হয়েছেন।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
