CM Mamata meets CV Ananda Bose | ‘তাঁর সঙ্গে অন্যায় হয়েছে’, প্রাক্তন রাজ্যপাল বোসের সঙ্গে দেখা করে বললেন মমতা

CM Mamata meets CV Ananda Bose | ‘তাঁর সঙ্গে অন্যায় হয়েছে’, প্রাক্তন রাজ্যপাল বোসের সঙ্গে দেখা করে বললেন মমতা

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: বিধানসভা ভোটের মুখে আচমকা রাজ্যপাল পদ থেকে সিভি আনন্দ বোসের (C. V. Ananda Bose) সরে দাঁড়ানো এবং নতুন রাজ্যপাল হিসেবে আর এন রবির নিয়োগ নিয়ে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। এই আবহে মঙ্গলবার প্রাক্তন রাজ্যপালের সঙ্গে ‘সৌজন্য’ আবাসনে সাক্ষাৎ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata meets CV Ananda Bose)। দীর্ঘ বৈঠকের পর বেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, মেয়াদের আগেই বোসকে সরিয়ে দেওয়া রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং এটি তাঁর সঙ্গে ‘অন্যায়’।

মমতার সৌজন্য ও রাজনৈতিক বার্তা

ধর্মতলার ধর্না কর্মসূচি শেষে সরাসরি আনন্দ বোসের সঙ্গে দেখা করতে যান মমতা। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “বাংলার রীতি মেনেই ওঁর সুস্বাস্থ্য কামনা করতে এসেছিলাম। ওঁর পরিবারের সঙ্গেও আমার সুসম্পর্ক। কিন্তু ওঁর মেয়াদের দেড় বছর বাকি থাকতেই কেন সরানো হলো? ভোটের ঠিক আগে এই সিদ্ধান্ত কি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নয়?” মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, তিনি প্রাক্তন রাজ্যপালকে পুনরায় বাংলায় আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, “আপনি বাংলাটা ভালো বোঝেন, আবার বাংলায় আসুন।”

ইস্তফা ও দিল্লির ডাক

রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর (Droupadi Murmu) বঙ্গ সফরের ঠিক আগেই সিভি আনন্দ বোসকে দিল্লিতে তলব করা হয়। তিনি রাষ্ট্রপতির অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বাগডোগরা যাওয়ার প্রস্তুতি নিলেও শেষ মুহূর্তে দিল্লি রওনা দেন এবং রাষ্ট্রপতিকে ‘প্রণাম’ জানিয়ে ইস্তফাপত্র পাঠান। বোস আগেই জানিয়েছেন তিনি বাংলার ভোটার, তাই ভোটের সময় তিনি আবার কলকাতায় ফিরবেন কি না, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে।

নতুন রাজ্যপাল আর এন রবি

দীর্ঘ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত দায়িত্ব পালনের জন্য কেন্দ্রীয় মহলে পরিচিত এক মুখ আর এন রবি। ২০২১ সাল থেকে তামিলনাড়ুর ১৫তম এবং বর্তমান রাজ্যপাল তিনি। এর আগে তিনি নাগাল্যান্ডের রাজ্যপাল (২০১৯–২০২১) ছিলেন এবং মেঘালয়ের রাজ্যপাল (অতিরিক্ত দায়িত্বে) (২০১৯–২০২০) হিসেবেও দায়িত্ব সামলেছেন। ভারতের ডেপুটি ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজার হিসেবে কাজ করা রবির নিয়োগকে কেন্দ্র করে নির্বাচনী আবহে প্রশাসনিক তৎপরতা বাড়বে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *