উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: বঙ্গোপসাগরে স্পষ্ট হয়েছে নিম্নচাপ অঞ্চল। সোমবারই তা থেকে ঘূর্ণিঝড় জন্ম নিতে পারে। শেষ পর্যন্ত ওই ঘূর্ণিঝড় তৈরি হলে তার নাম দেওয়া হবে ‘মান্থা’ (Cyclone Mantha)। থাইল্যান্ডের দেওয়া এই নামের দু’ধরনের ব্যাখ্যা পাওয়া যাচ্ছে। মনে করা হচ্ছে, থাইল্যান্ডের সিয়ামিজ ভাষায় ফুলের সুগন্ধকে ‘মান্থা’ বলা হয়। বিশেষজ্ঞদের আর এক অংশ বলছেন, সমুদ্র মন্থনের পৌরাণিক কাহিনী নাকি ‘মান্থা’ শব্দের উৎস। এই ঘূর্ণিঝড়ের কতটা প্রভাব পড়বে বঙ্গে? আবহাওয়া (Climate Replace) নিয়ে বড় আপডেট দিল আবহাওয়া দপ্তর।
হাওয়া অফিস জানিয়েছে, শনিবার সকালে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ অঞ্চলটি সুস্পষ্ট নিম্নচাপ অঞ্চলে পরিণত হয়েছে। আর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তা থেকে নিম্নচাপ তৈরি হবে। রবিবারের মধ্যে তা আরও ঘনীভূত হয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। সোমবার ওই গভীর নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ের আকার নেবে। এর কিছুটা প্রভাব পড়বে পশ্চিমবঙ্গ এবং ওডিশার উপকূলে।
উত্তরবঙ্গে (North Bengal Climate Replace) জলপাইগুড়িতে বুধবার ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বৃহস্পতি এবং শুক্রবার।
অন্যদিকে, দক্ষিণবঙ্গে (South Bengal Climate Replace) ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বৃষ্টি শুরু হবে সোমবার থেকেই। ওইদিন দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে বিক্ষিপ্তভাবে হালকা বৃষ্টি হতে পারে। কলকাতায় মঙ্গলবার বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে। সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। শুক্রবার পর্যন্ত বিক্ষিপ্ত ঝড়বৃষ্টি চলতে পারে। সমুদ্র উত্তাল থাকবে। ফলে ২৭ অক্টোবরের মধ্যে মৎস্যজীবীদের ফিরে আসার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।
