চোপড়া: চোপড়ার (Chopra) ধৃত প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা গোপাল ভৌমিকের বিরুদ্ধে এবার চা সুন্দরী প্রকল্পের নামে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগ সামনে আসায় চাঞ্চল্য ছড়াল।
সোমবার মাঝিয়ালি গ্রাম পঞ্চায়েতের দেবীঝোরা এলাকার উপভোক্তারা গণস্বাক্ষর সম্বলিত একটি অভিযোগপত্র চোপড়া থানায় জমা দেন। অভিযোগে জানান হয়, উপভোক্তাদের কাছ থেকে চা সুন্দরী প্রকল্পের সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নাম করে দফায় দফায় কাটমানি তোলা হয়।
এদিন প্রতারিত উপভোক্তারা স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বকে সঙ্গে নিয়ে চোপড়া থানায় আসেন। এদিন তারা পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগও জমা করেছেন। পুলিশ ইতিমধ্যেই ১১ মে গ্রেপ্তার করছে ওই তৃণমূল নেতাকে।
উপভোক্তাদের অভিযোগ সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, প্রকল্পের অনুদান ৩ কিস্তিতে দেওয়ার কথা। কিন্তু প্রথম দু’টি কিস্তির টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকতে না ঢুকতেই স্থানীয় তৃণমূল নেতারা নাকি সক্রিয় হয়ে ওঠেন।
গোপাল ভৌমিকের নির্দেশে কয়েকজন স্থানীয় তৃণমূল কর্মী উপভোক্তাদের কাছ থেকে মাথাপিছু ২০-২৫ হাজার টাকা করে জোরপূর্বক আদায় করেন বলে অভিযোগ। উপভোক্তাদের দাবি, সেই সময় এলাকায় তৃণমূল নেতাদের ব্যাপক প্রভাব থাকায় কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পাননি।
এখন রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের পর তাঁরা মুখ খুলতে সাহস পেয়েছেন। উপভোক্তাদের অনেকেই তৃতীয় কিস্তির টাকা এখনও পাননি বলে দাবি করেন।
এদিকে, ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপি মন্ডল সভাপতি নিত্য পাল বলছেন, “ভয়ে উপভোক্তারা আগে মুখ খুলতে পারেননি। চা সুন্দরী প্রকল্পে কাটমানি হিসাবে গোপাল ভৌমিক প্রচুর টাকা আত্মসাৎ করেছে।”
যদিও, এ বিষয়ে গোপাল ভৌমিকের পরিবারের তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।
