উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতের ‘প্রজেক্ট চিতা’ (Undertaking Cheetah) প্রকল্পে ফের বড় সাফল্য। মধ্যপ্রদেশের কুনো জাতীয় উদ্যানে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে আসা চিতা ‘জেমিনি’ তিনটি সুস্থ শাবকের (Cheetah cubs beginning in Kuno) জন্ম দিয়েছে। বুধবার মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব সোশ্যাল মিডিয়ায় এই সুখবরটি জানান।
चीतों के पुनर्स्थापन का सशक्त केंद्र मध्यप्रदेश…
अत्यंत हर्ष का विषय है कि प्रोजेक्ट चीता के अंतर्गत दक्षिण अफ्रीका से आई मादा चीता ‘गामिनी’ ने 3 शावकों को जन्म दिया है। श्योपुर जिले में स्थित कूनो नेशनल पार्क में आए चीतों के तीन वर्ष पूर्ण होने के साथ यह 9वां सफल प्रसव है।… pic.twitter.com/vr24Qcuf7U
— Dr Mohan Yadav (@DrMohanYadav51) February 18, 2026
কেন্দ্রীয় পরিবেশমন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবও সোশ্যাল মিডিয়ায় একথা জানিয়েছেন। জেমিনির হাত ধরে কুনোর জঙ্গলে জন্ম নেওয়া মোট শাবকের সংখ্যা দাঁড়াল ৯-এ। সব মিলিয়ে বর্তমানে ভারতে চিতার মোট সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩৮।
One other excellent news from Kuno🐆🌿
Kuno welcomes three new cubs – A roaring new chapter at Kuno on the event of completion of three years of arrival of cheetahs from South Africa.
Celebrations echo by way of Kuno Nationwide Park as Gamini, the South African cheetah and second-time… pic.twitter.com/JpqnfXlpYl
— Bhupender Yadav (@byadavbjp) February 18, 2026
২০২২ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Mdoi) উদ্যোগে বিলুপ্তপ্রায় চিতাকে ভারতের জঙ্গলে ফিরিয়ে আনার ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ‘প্রজেক্ট চিতা’র আওতায় ২০২২ সালে নামিবিয়া এবং দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে মোট ১০টি চিতা আনা হয়েছিল মধ্যপ্রদেশের (Madhya Pradesh) কুনো জাতীয় উদ্যানে (Kuno Nationwide Park)। সেই প্রকল্প অনুযায়ী, ২০২২-২৩-এর মধ্যে আফ্রিকার নামিবিয়া-সহ নানা দেশ থেকে মোট ২০টি চিতাকে ভারতে আনা হয়েছিল।
সাফল্যের খতিয়ান ও চ্যালেঞ্জ: বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন পরিবেশে স্থানান্তরিত প্রাণীদের ক্ষেত্রে সাধারণত মাত্র ৪০ শতাংশ টিকে থাকার সম্ভাবনা থাকে। সেই নিরিখে ভারতে চিতা সংরক্ষণের সাফল্যের হার অনেক বেশি। তবে এই যাত্রাপথ সবসময় মসৃণ ছিল না। গত কয়েক বছরে রোগব্যাধি এবং বিভিন্ন দুর্ঘটনায় বেশ কিছু চিতার মৃত্যু বন দপ্তরের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছিল। বিশেষ করে গত ডিসেম্বরে মাত্র ১০ মাস বয়সী একটি চিতার মৃত্যু প্রকল্পের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছিল। কিন্তু নতুন শাবকদের জন্ম সেই সমস্ত গ্লানি মুছে দিয়ে ‘প্রজেক্ট চিতা’-র ভবিষ্যৎকে আরও উজ্জ্বল করে তুলল।
কুনোর আধিকারিকরা জানিয়েছেন, মা জেমিনি এবং তার তিনটি শাবকই বর্তমানে সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছে। সিসিটিভি এবং ড্রোন ক্যামেরার মাধ্যমে তাদের গতিবিধির ওপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে। নতুন অতিথিদের আগমনে কুনোর পর্যটন এবং বাস্তুতন্ত্রে এক নতুন প্রাণের সঞ্চার হয়েছে।
