চ্যাংরাবান্ধা: বুধবার রাত থেকে গোষ্ঠী সংঘর্ষের জেরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল মেখলিগঞ্জ ব্লকের চ্যাংরাবান্ধা গ্রাম পঞ্চায়েতের চিতিয়ারডাঙা এলাকা। পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে উন্মত্ত জনতার রোষের মুখে পড়তে হল পুলিশকে। ভাঙচুর করা হয়েছে পুলিশের গাড়ি, আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন পুলিশকর্মী। বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
বুধবার রাতে চ্যাংরাবান্ধার চিতিয়ারডাঙা এলাকায় দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে বিবাদের জেরে উত্তেজনা ছড়ায়। খবর পেয়ে রাতেই মেখলিগঞ্জ থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী এবং চ্যাংরাবান্ধা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ইলিয়াস রহমান ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। সারা রাত এলাকায় পুলিশি প্রহরা থাকলেও বৃহস্পতিবার সকালে পরিস্থিতি ফের অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে।
বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয় এক সংগঠনের পক্ষ থেকে এলাকায় প্রতিবাদ মিছিল ও পথ অবরোধ করা হয়। পরবর্তীতে উত্তেজিত জনতা স্থানীয় একটি বাড়িতে চড়াও হয়ে ভাঙচুর চালায় এবং খড়ের গাদায় আগুন ধরিয়ে দেয়।
• দমকলের তৎপরতা: খবর পেয়ে দমকল বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
• পুলিশের ওপর হামলা: জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি শুরু হয়। পুলিশের গাড়িতেও ভাঙচুর চালানো হয় বলে অভিযোগ।
মেখলিগঞ্জের এসডিপিও (SDPO) আশিস পি সুব্বা জানিয়েছেন, “এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে মার্চ পিটিশন জমা পড়েছে।বৃহস্পতিবার কিছু উত্তেজিত জনতা পুলিশকে মারধর ও পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর,একটি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে। তাদের মধ্যে প্রায় দশ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সমস্ত ঘটনার তদন্ত চলছে।এলাকায় নিরাপত্তা ও শান্তি রক্ষায় পুলিশি প্রহরা রয়েছে।”
অন্যদিকে, পঞ্চায়েত প্রধান ইলিয়াস রহমান বলেন, ,”এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় আমরা প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছি।”
