Buxa Chook Pageant | ডানা মেলছে ‘বক্সা বার্ড ফেস্টিভাল’! নতুন বছরে ৩০০ প্রজাতির পাখির সন্ধানে জয়ন্তীতে বসছে পক্ষীপ্রেমীদের আসর

Buxa Chook Pageant | ডানা মেলছে ‘বক্সা বার্ড ফেস্টিভাল’! নতুন বছরে ৩০০ প্রজাতির পাখির সন্ধানে জয়ন্তীতে বসছে পক্ষীপ্রেমীদের আসর

শিক্ষা
Spread the love


অভিজিৎ ঘোষ, আলিপুরদুয়ার: পাখি দেখার উৎসব। পাখি চেনার উৎসবও বটে। নতুন বছরে আবার চালু হচ্ছে ‘বক্সা বার্ড ফেস্টিভাল’। আগামী ৬ থেকে ৯ জানুয়ারি বক্সা টাইগার রিজার্ভে এই আয়োজন করা হবে বন দপ্তরের উদ্যোগে।

২০১৭ সালে প্রথম এই ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। তারপর টানা সাত বছর নিরবচ্ছিন্নভাবে চলেছিল বক্সা পাখি উৎসব। তবে গতবছর উৎসবের প্রস্তুতি শুরু হলেও শেষবেলায় কর্মসূচি বাতিল করতে হয়। ফলে আগামী বছরের গোড়ায় এই উদ্যোগ অষ্টম বর্ষে পা দিতে চলেছে।

বক্সা ব্যাঘ্র-প্রকল্পের পূর্ব ডিভিশনের জয়ন্তী রেঞ্জ অফিসের পাশে উৎসবের মূল অনুষ্ঠান হবে। যাঁরা উৎসবে অংশ নেবেন এখানে তাঁরা রাত কাটাবেন। এখানেই করা হবে বেস ক্যাম্প। এছাড়া বিভিন্ন বিষয়ে শিবির অনুষ্ঠিত হবে। ২০২৩ সাল পর্যন্ত পাখি উৎসবের ক্যাম্পিং গ্রাউন্ড ছিল রাজাভাতখাওয়া। তবে ২০২৪ সাল থেকে জয়ন্তীতে ক্যাম্প করা হয়। এদিন এ বিষয়ে রিজার্ভের ডিএফডি (পূর্ব) দেবাশিস শর্মা বলেন, ‘উৎসবের মূল উদ্দেশ্য, বক্সার পাখি বৈচিত্র্যকে তুলে ধরা। এই নিয়ে বিশ্লেষণ করা। অনুমান করা হয় বক্সার জঙ্গলে প্রায় ৪০০ ধরনের পাখি রয়েছে। যত বেশি সম্ভব পাখি এ বছর রেকর্ড করার চেষ্টা হবে।’ শেষ পাখি উৎসবে প্রায় ২৫০ পাখির সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল। এ বছর বন দপ্তর ঠিক করেছে ৩০০ ধরনের পাখি খোঁজার চেষ্টা করা হবে।

বন দপ্তর এখনও পর্যন্ত ১৮ জনকে পাখি উৎসবে অংশ নেওয়ার জন্য নির্বাচিত করেছে। এছাড়াও বেশ কয়েকজন বিশেষজ্ঞ ও বন দপ্তরের আধিকারিক উৎসবে শামিল হবেন। গতবছর অনেকে উৎসবে আগ্রহ দেখাননি বলে উৎসব বাতিল করতে হয়েছিল। এ বছর আগ্রহীর সংখ্যা বেড়েছে। এই নিয়ে হিমালয়ান নেচার অ্যান্ড অ্যাডভেঞ্চার ফাউন্ডেশনের আহ্বায়ক অনিমেষ বসু বলেন, ‘বক্সার পাখি উৎসব দেশের অন্যতম জনপ্রিয়। বক্সা পাখিদের স্বর্গরাজ্য। আমরা চাই, প্রতিবছর উৎসব হোক। দু’বছর হল সুন্দরবনেও এই ধরনের পাখি উৎসবের আয়োজন করা হচ্ছে।’

৬ তারিখ উদ্বোধনের পর বক্সা টাইগার রিজার্ভের বিভিন্ন রুটে উৎসবের শামিল বিশেষজ্ঞদের নিয়ে যাওয়া হবে। বন দপ্তরের তরফে উৎসবে পাখি দেখার জন্য চারটি রুট ঠিক হয়েছে। যেখানে পাখি বেশি দেখা যায় এবং শীতে পরিযায়ী পাখিরা ভিড় করে সেই জায়গায় যাওয়া হবে। রায়মাটাং, নারারথলি বিল, বক্সা পাহাড় ও জয়ন্তী মহাকাল চারটি রুটে যাবে দল। এছাড়া নজরে পড়া পাখি নিয়ে বিশ্লেষণ করা হবে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *