Buxa | আবহাওয়ার বদলে বক্সায় কমলার ফলনে ধাক্কা

Buxa | আবহাওয়ার বদলে বক্সায় কমলার ফলনে ধাক্কা

ব্লগ/BLOG
Spread the love


অভিজিৎ ঘোষ, আলিপুরদুয়ার: একটা সময় উত্তরবঙ্গজুড়ে বক্সার (Buxa) কমলার সুনাম ছিল। তবে কয়েকবছর ধরে সেই কমলার ফলন যেমন কমেছে, ঠিক তেমন কমলার খ্যাতিও তলানিতে ঠেকেছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, চলতি বছরও কমলার ফলন ভালো হয়নি। এরই মধ্যে বক্সার কমলা চাষে সুদিনের স্বপ্ন দেখাচ্ছে দার্জিলিংয়ের মান্দারিন। বক্সার কৃষকদের প্রায় ১০ হাজার মান্দারিন প্রজাতির কমলা গাছের চারা দেওয়া হয়েছে। এই গাছ বড় হয়ে ফল দিতে প্রায় ৫ বছর সময় লাগবে। বর্তমানে সেই সুদিনের অপেক্ষায় দিন গুনছেন বক্সার কমলাচাষিরা।

মূলত, নভেম্বর মাস থেকে বক্সার কমলা আলিপুরদুয়ার শহরের বিভিন্ন এলাকায় পাওয়া যায়। তবে এবছর ফলন কম হওয়ায় জানুয়ারি মাসেও কমলা পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। বক্সার লেপচাখার কমলাচাষি পাসাং দজি ডুকপা বললেন, ‘গত বছর কমলার যা ফলন হয়েছিল, সে তুলনায় এবছরের ফলন অনেকটাই কম। আবহাওয়ার পরিবর্তনের জন্যই এমন হচ্ছে।’ কমলার ফলন কম হওয়া নিয়ে আলিপুরদুয়ার জেলার উদ্যানপালন আধিকারিক দীপক সরকারের বক্তব্য, ‘এবছর শীত দেরিতে পড়েছে। আবহাওয়ায় পরিবর্তনের জন্য বিভিন্ন সবজি, ফুলের ফলন কম হচ্ছে। বক্সার কমলার উপরও এর প্রভাব পড়েছে।’

১৯৯৩ সালের বন্যায় বক্সা পাহাড়ের প্রচুর কমলা গাছ নষ্ট হয়। এছাড়াও বন্যার ফলে সেখানকার মাটির চরিত্র বদলে যায়। আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে অনেক চাষি কমলা চাষ বন্ধ করে দেন। মূলত সেই সময় থেকেই বক্সার কমলা চাষে অন্ধাকার নেমে আসতে শুরু করে। দিন যত এগিয়েছে, সেই অন্ধকার আরও গাঢ় হয়েছে। এখন হাতেগোনা কয়েকজন বক্সা পাহাড়ে কমলা চাষ করছেন। তবে এবছর ফলন কম হওয়ায় সেই চাষিদেরও মন খারাপ। অন্যদিকে, আগের তুলনায় কমলা চাষে খরচও অনেকটা বেড়েছে বলে জানাচ্ছেন কৃষকরা। এই অবস্থায় ফলন কম হওয়ায় মাথায় হাত কৃষকদের। বক্সা বিকাশ অভিযানের সম্পাদক বিকাশ থাপার কথায়, ‘বক্সার কমলা চাষের যে পরিস্থিতি ছিল সেটার বদল হয়েছে। আগে কীটনাশক ছাড়াই ভালো ফলন হত। তবে এখন কীটনাশক ব্যবহার করতে হয়। স্বাভাবিকভাবেই খরচ বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতেও সেভাবে আগের মতো ফলন হচ্ছে না।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *