উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: বিরোধী ইন্ডিয়া জোট ও ককরোচ জনতা পার্টি বা সিজেপি এবং বিরোধী দলগুলির রাজপথের আন্দোলনকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ময়দানে নেমেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। ‘গণতন্ত্র বাঁচাও, অরাজকতা হটাও’ শিরোনামে দেশব্যাপী ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে এবার খাস কলকাতায় মিছিল ও সমাবেশ করল গেরুয়া শিবির। বিরোধী জোটের জমায়েতকে টেক্কা দিয়ে নিজেদের শক্তি বাড়াতে মরিয়া বিজেপি এই কর্মসূচির প্রথম দফার অঙ্গ হিসেবে বেছে নিয়েছিল তিলোত্তমাকে। সোমবার বিকেলে কলেজ স্কোয়্যার থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত এই পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। নির্ধারিত সময় থেকে কিছুটা দেরিতে বিকেল ৪টা কুড়িতে শুরু হওয়া এই মিছিলে কোনও সুসজ্জিত গাড়ি ব্যবহার না করে সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন (BJP Nitin Nabin) হেঁটে পথ চলেন। তাঁর দুই পাশে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এবং রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। কলকাতা ছাড়াও পার্শ্ববর্তী জেলা এবং দুই ২৪ পরগনা থেকে বহু কর্মী-সমর্থক এই মিছিলে অংশ নেন।
মিছিল শেষে ধর্মতলার এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশনের কাছে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিজেপি নেতৃত্ব। শুভেন্দু অধিকারী তাঁর বক্তব্যে কলকাতার রাস্তায় সর্বভারতীয় সভাপতিকে স্বাগত জানানোর জন্য সাধারণ মানুষকে ধন্যবাদ জানান এবং বিরোধীদের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানান। মূল বক্তা হিসেবে নিতিন নবীন তাঁর পুরো বক্তৃতাজুড়ে কংগ্রেস এবং বিশেষ করে রাহুল গান্ধিকে (Rahul Gandhi) নিশানা করেন। তিনি অভিযোগ তোলেন যে দেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করতে এবং চারদিকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে ইচ্ছাকৃতভাবে চেষ্টা চালাচ্ছে কংগ্রেস। বিরোধী শিবিরের সমালোচনা করতে গিয়ে তিনি রাহুল গান্ধিকে বিদেশি শক্তির টুলকিট হিসেবে অভিহিত করেন এবং দাবি করেন যে বাংলাদেশ বা নেপালের মতো প্রতিবেশী দেশগুলোতে অস্থিরতা তৈরিতে সহায়তাকারী শক্তির প্রতিই তাঁদের দলের সহানুভূতি রয়েছে। ভারতের গণতন্ত্রের ভিত অত্যন্ত মজবুত উল্লেখ করে বিজেপি সভাপতি হুঁশিয়ারি দেন যে দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ধাক্কা দেওয়ার সাধ্য কারোর নেই। একই সঙ্গে তিনি কটাক্ষ করে বলেন যে রাহুলের নেতৃত্বেই কংগ্রেস দলটির সম্পূর্ণ অবক্ষয় নিশ্চিত হবে।
The publish BJP Nitin Nabin | বিদেশি শক্তির টুলকিট হয়ে কাজ করছেন রাহুল গান্ধি! কলকাতা থেকে তোপ নিতিন নবীনের appeared first on Uttarbanga Sambad.
