Bengali Information, Newest Bengali Information Headlines, Bengali Khabar, Breaking Information in Bengali, Bangla Information, Bengali high information | Sangbad Pratidin

Bengali Information, Newest Bengali Information Headlines, Bengali Khabar, Breaking Information in Bengali, Bangla Information, Bengali high information | Sangbad Pratidin

সিনেমা/বিনোদন/থিয়েটার
Spread the love


সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নগদ কাণ্ডে বিচারপতি যশবন্ত বর্মাকে সরাতে গত আগস্ট মাসেই তৎপরতা শুরু হয়ে গিয়েছিল লোকসভায়। গঠন করা হয়েছিল তদন্ত কমিটি। চার মাস পর সেই তদন্ত কমিটির সামনে হাজিরা দিতে চলেছেন বিচারপতি বর্মা। সূত্রের খবর, আগামী মাসে ওই কমিটির প্রথম শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। সেখানেই হাজিরা দিতে পারেন বিচারপতি বর্মা। প্রসঙ্গত, আগস্ট মাসে ১৪৬ জন সাংসদের সই-সহ ‘ইমপিচমেন্ট’ প্রস্তাব গ্রহণ করেন স্পিকার ওম বিড়লা। তারপরই তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে দেন তিনি।

চলতি বছরের ১৪ মার্চ তৎকালীন দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি ভার্মার বাড়িতে অগ্নিকাণ্ড ও বিপুল পরিমাণ পোড়া টাকা উদ্ধারের ঘটনায় সাড়া পড়ে গিয়েছিল গোটা দেশে। অভিযোগ ওঠে পুড়ে যাওয়া ওই নোটের বান্ডিল ছিল হিসাব বহির্ভূত টাকা। মামলার তদন্তে সুপ্রিম কোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না ঋণ সদস্যের আভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি গঠন করে দেন। এই কমিটি বিচারপতির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতার প্রমাণ পেলেও সেভাবে এখনো কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। শুধুমাত্র দিল্লি হাইকোর্ট থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয় এলাহাবাদ হাইকোর্টে। ঘটনার জেরে বারবার এই ইস্যুতে সরব হয়েছে সরকার পক্ষ। প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড় প্রশ্ন তুলেছিলেন কেন এই ঘটনায় এখনও কোনও এফআইআর দায়ের করা হয়নি। সব মিলিয়ে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কার্যত মুখোমুখি দাঁড়ায় সরকার ও দেশের বিচারব্যবস্থা।

উল্লেখ্য, এই ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব পেশ হওয়ার অর্থ হল অভিযুক্ত ওই বিচারপতির অপসারণ প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপ। সংবিধানের ১২৪(৪) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সেই প্রস্তাবের পক্ষে সাংসদদের সই করে স্পিকারের কাছে জমা দিতে হয়। এই প্রক্রিয়ায় সংসদের উভয় কক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার সঙ্গে এই প্রস্তাব গৃহীত হতে হবে। তবে অভিযুক্ত যদি দোষী না হন সেক্ষেত্রে কোনও পদক্ষেপ করা হবে না, এবং প্রস্তাব বাতিল হবে। আর যদি দোষী সাব্যস্ত হন সেক্ষেত্রে প্রস্তাব পাশ হওয়ার পর বিচারপতিকে অপসারণের জন্য তা পাঠানো হবে রাষ্ট্রপতির কাছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *