Bardhaman | পরকীয়ার পথে ‘কাঁটা’ ছিল স্বামী, খুনের পর পুলিশের জালে স্ত্রী ও তার প্রেমিক

Bardhaman | পরকীয়ার পথে ‘কাঁটা’ ছিল স্বামী, খুনের পর পুলিশের জালে স্ত্রী ও তার প্রেমিক

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়,বর্ধমান: বন্ধুর সঙ্গে স্ত্রীর প্রেম, আর সেই প্রেমের পথে কাঁটা সরাতেই প্রাণ দিতে হল স্বামীকে। পূর্ব বর্ধমানের দেওয়ানদিঘি থানা এলাকার ক্ষেতিয়ার বিজয়বাটি গ্রামের যুবক সফিকুল ইসলাম আনসারী ওরফে আরিফের খুনের ঘটনায় পুলিশ তাঁর স্ত্রী রাজিয়া সুলতানা এবং তাঁর প্রেমিক মমতাজউদ্দিন শেখ ওরফে উজ্জ্বলকে গ্রেপ্তার করেছে। সোমবার ধৃতদের বর্ধমান আদালতে তোলা হলে বিচারক তাঁদের ৫ দিনের পুলিশি হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।

নেমন্তন্ন করে ডেকে নিয়ে গিয়ে খুন
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সফিকুল চেন্নাইয়ে একটি সোনার দোকানে কাজ করতেন। মাসখানেক আগেই বাড়ি ফেরেন তিনি। রবিবার সকালে স্ত্রী রাজিয়া ও মেয়েকে নিয়ে মিলিকপাড়ায় বন্ধু মমতাজউদ্দিনের বাড়িতে নেমন্তন্ন খেতে যান সফিকুল। অভিযোগ, সন্ধ্যায় কেনাকাটার নাম করে বাইকে করে সফিকুলকে বাইরে নিয়ে যায় মমতাজউদ্দিন। এরপর একটি সেচখালের ধারে নির্জন জায়গায় ভারী বস্তু দিয়ে মাথায় আঘাত করে সফিকুলকে খুন করে দেহ জলে ফেলে দেওয়া হয়।

তদন্তে উঠে এল পরকীয়া ও খুনের ব্লু-প্রিন্ট
তদন্তকারী অফিসারদের দাবি, সফিকুল চেন্নাই থাকাকালীন তাঁর বিবাহিত বন্ধু মমতাজউদ্দিনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে স্ত্রী রাজিয়ার। কয়েকদিন পরেই সফিকুলের চেন্নাই ফেরার কথা ছিল, টিকিটও কাটা হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু কোনো কারণে যাত্রা বাতিল করায় রাজিয়া ও মমতাজউদ্দিনের প্রেমে বাধা হয়ে দাঁড়ান তিনি। এরপরই দুজনে মিলে সফিকুলকে চিরতরে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করে।

পুলিশি পদক্ষেপ
মৃতের মা মাস্তন্নিসা আনসারির লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্তে নেমে রাজিয়া ও মমতাজউদ্দিনকে জালে তোলে। জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অর্ক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ভারী বস্তুর আঘাতেই মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিক অনুমান। খুনের ঘটনার পুর্ননির্মাণের জন্য ধৃতদের হেপাজতে নিয়ে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *