Bankura Indas homicide | দিল্লির ‘ককরোচ’ আন্দোলনে ছেলের যোগ দেওয়াই কাল! বাঁকুড়ায় আন্দোলনকারীর বাবাকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


বর্ধমান: দিল্লির রাজনৈতিক আন্দোলনে ছেলের যোগ দেওয়াকে কেন্দ্র করে বর্বরোচিত কান্ড! বাঁকুড়ার ইন্দাসে বাড়িতে চড়াও হয়ে এক আন্দোলনকারীর বাবাকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল শাসকদল বিজেপির বিরুদ্ধে (Bankura Indas homicide)। মৃত ব্যক্তির নাম শেখ মহম্মদ মাফিক (৫১)। এই নৃশংস হামলায় জখম হয়েছেন মৃত যুবকের ছেলে তথা ওই আন্দোলনকারী শেখ আব্দুল হাফিজ। স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এই ঘটনায় কারিশুণ্ডা গ্রামসহ গোটা বর্ধমান ও বাঁকুড়া এলাকায় চরম উত্তেজনা ও চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৯ জুলাই দিল্লির একটি রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যোগ দিতে গিয়েছিলেন বাঁকুড়ার ইন্দাস থানার করিশুণ্ডা গ্রামের বাসিন্দা শেখ আব্দুল হাফিজ। পরিবারের দাবি, গত ২০ জুলাই রাজীব চকে তাঁকে আটক করা হয় এবং তিনি পুলিশের লাঠিচার্জ ও টিয়ার গ্যাসের মুখেও পড়েন। পরবর্তীতে গত ২৭ জুলাই তিনি সুস্থভাবে বাড়ি ফিরে আসেন।

কিন্তু এর পরই শুরু হয় স্থানীয় স্তরে হুমকি ও চাপানউতোর। মৃতার স্ত্রী হাসিনা বেগমের অভিযোগ, ছেলে দিল্লি থেকে বাড়ি ফেরার পর থেকেই বিজেপির পক্ষ থেকে তাঁকে লাগাতার হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। এরপর গত ১৩ আগস্ট করিশুণ্ডা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অব্যবস্থা নিয়ে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলেন হাফিজ এবং বিষয়টি প্রশাসনকে জানানোর কথা ভাবছিলেন। অভিযোগ, সেই ক্ষোভেই গত ১৩ অগাস্ট রাতে বিজেপির একদল লোক সোজাসুজি তাঁদের বাড়িতে ঢুকে হাফিজের ওপর চড়াও হয় এবং ব্যাপক মারধর করে। ছেলেকে বাঁচাতে বাবা শেখ মহম্মদ মাফিক এগিয়ে এলে তাঁকেও বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।

পরিবারের অভিযোগ, গুরুতর জখম অবস্থায় দু’জনকে ইন্দাস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হলেও স্থানীয় স্তরে কোনো গাড়ি পাওয়া যাচ্ছিল না। পরবর্তীতে পুলিশের হস্তক্ষেপে তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, তবে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়। হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার পথেও ফের তাঁদের ওপর হামলা চালানো হয় এবং তাঁদের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে সব ছবি মুছে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে।

এর পর ১৪ অগাস্ট তাঁদের বাড়ি কার্যত ঘিরে রেখে পরিবারের সদস্যদের গৃহবন্দি করে রাখা হয়। ওই রাতেই বারবার মারধরের জেরে শেখ মহম্মদ মাফিকের শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি হয়। পুলিশি সহযোগিতায় তাঁকে প্রথমে ইন্দাস হাসপাতাল এবং পরে গত ১৫ অগাস্ট বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। অবশেষে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় শনিবার রাতে হাসপাতালেই তাঁর মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে এবং দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *