Bangladesh Election 2026 | ভোটমুখী বাংলাদেশে অশান্তি! দূতাবাসের কর্মীদের পরিবারকে দেশে ফেরার নির্দেশ ভারতের, খোলা থাকছে হাই কমিশন  

Bangladesh Election 2026 | ভোটমুখী বাংলাদেশে অশান্তি! দূতাবাসের কর্মীদের পরিবারকে দেশে ফেরার নির্দেশ ভারতের, খোলা থাকছে হাই কমিশন  

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃ বাংলাদেশে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ নির্বাচন (Bangladesh Election 2026)। কিন্তু ভোটের আগেই ওপার বাংলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং জুলাই সনদ নিয়ে গণভোটের আবহে উদ্বেগ বাড়ছে নয়াদিল্লির। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশন ও সহকারী হাই কমিশনের (Indian Excessive Fee) কর্মীদের পরিবারকে দেশে ফিরিয়ে আনার পরামর্শ দিল ভারতের বিদেশ মন্ত্রক। সূত্র মারফত পিটিআই এই খবর জানিয়েছে।

ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের একটি সূত্র জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্তটি পুরোপুরি ‘সতর্কতামূলক’। ঢাকা ছাড়াও চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট এবং খুলনায় ভারতের সহকারী হাই কমিশন রয়েছে। সেখানকার কর্মীদের পরিবারকে নিরাপত্তার খাতিরে ভারতে ফিরে আসার কথা বলা হয়েছে। তবে বিদেশ মন্ত্রক স্পষ্ট করেছে যে, হাই কমিশন বা উপ-দূতাবাসগুলি বন্ধ করা হচ্ছে না। কূটনৈতিক কাজকর্ম আগের মতোই স্বাভাবিক থাকবে।

বাংলাদেশে নির্বাচনী দামামা বাজতেই অপরাধ এবং সহিংসতার হার বৃদ্ধি পেয়েছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে অপহরণের ঘটনা ৭১ শতাংশ এবং ডাকাতি ৩৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। গত মাসে যুবনেতা ওসমান হাদির মৃত্যুর পর থেকে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একাধিক জায়গায় ভারতীয় উপ-দূতাবাস ঘেরাওয়ের ডাক দেওয়া হয়েছিল এবং চট্টগ্রামে ইটবৃষ্টির মতো ঘটনাও ঘটেছে। সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভিযোগও উদ্বেগ বাড়িয়েছে নয়াদিল্লির।

বাংলাদেশে ভোটের চূড়ান্ত প্রার্থিতালিকা ও প্রতীক নির্ধারণ হতে চলেছে আগামীকাল, বুধবার (২১ জানুয়ারি)। আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু হবে ২২ জানুয়ারি থেকে, যা চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। জুলাই সনদ নিয়ে গণভোট এবং সাধারণ নির্বাচন—এই জোড়া কর্মসূচির আগে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্ষোভ ও সংঘাতের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ইতিমধ্যেই নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে বেশ কিছু জায়গায় ভারতীয় ভিসা কেন্দ্রগুলির কাজ সীমিত করা হয়েছে। চট্টগ্রামের ঘটনার পর সেখানকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল ভারত। সিলেটেও ভারতীয় উপ-দূতাবাসের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কর্মীদের পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই ‘পরামর্শ’ বা ‘অ্যাডভাইসরি’ জারি করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *