উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: দীর্ঘ ১৭ বছরের প্রতীক্ষার অবসান। বৃহস্পতিবার দুপুরে বিমানে ঢাকা পৌঁছোচ্ছেন বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার (Khaalida Zia) পুত্র তারেক রহমান (Tareque Rahman)। শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina) বিহীন বাংলাদেশে আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনে বিএনপি যখন নিরঙ্কুশ জয়ের স্বপ্ন দেখছে, ঠিক তখনই তারেকের এই প্রত্যাবর্তন দলের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে নতুন উন্মাদনা তৈরি করেছে।
বুধবারই তারেকের সফরের সূচি প্রকাশ করেছে বিএনপি। বিমানবন্দর থেকে সরাসরি তিনি হাসপাতালে অসুস্থ মা খালেদা জিয়াকে দেখতে যাবেন। এরপর শুক্রবার প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং শনিবার জুলাই আন্দোলনে আহতদের দেখতে পঙ্গু হাসপাতালে যাওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। একই দিনে ভোটার হিসেবে নিবন্ধনের জন্য নির্বাচন কমিশনেও যাবেন তিনি।
তারেকের প্রত্যাবর্তনের দিকে কড়া নজর রাখছে ভারতও। ঘোষণা অনুযায়ী, আওয়ামী লীগ নির্বাচনে লড়তে পারবে না। এই পরিস্থিতিতে ভারতের কূটনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, জামায়াতে ইসলামীর মতো কট্টরপন্থী দলের বিস্তার রুখতে তারেকই এখন অন্যতম প্রধান ভরসা। তবে নির্বাচন নিয়ে সংশয় কাটেনি। ইনকিলাব মঞ্চের নেতা ওসমান হাদি খুনের পর তাঁর পরিবার সরাসরি ইউনূস সরকারের দিকে আঙুল তুলে ভোট বানচালের অভিযোগ এনেছে।
এদিকে ভারত-বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্ক তলানিতে। দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম রিয়াজ হামিদুল্লাকে এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয়বার তলব করেছে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক। অন্যদিকে, বাংলাদেশে হিন্দু যুবক দীপু দাস হত্যার প্রতিবাদে উত্তপ্ত পশ্চিমবঙ্গও। বুধবার পেট্রাপোল ও ফুলবাড়িসহ বিভিন্ন সীমান্তে ট্রাক আটকে বিক্ষোভ দেখিয়েছে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলি। যদিও ইউনূস সরকারের উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ দাবি করেছেন, দিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক মেরামতির চেষ্টা চলছে।
