Arvind Kejriwal | প্রমাণের অভাব ও দুর্বল তদন্ত: আবগারি মামলায় সসম্মানে মুক্তি পেলেন কেজরিওয়াল ও সিসোদিয়া

Arvind Kejriwal | প্রমাণের অভাব ও দুর্বল তদন্ত: আবগারি মামলায় সসম্মানে মুক্তি পেলেন কেজরিওয়াল ও সিসোদিয়া

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃ দিল্লি আবগারি নীতি (Excise Coverage) মামলায় বড়সড় স্বস্তি পেলেন আম আদমি পার্টির (AAP) দুই শীর্ষ নেতা। দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়াকে এই মামলা থেকে অব্যাহতি (Discharge) দিয়েছে আদালত। মামলার রায়ে আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, সিবিআই (CBI) অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনা কোনো অভিযোগই অকাট্য প্রমাণের ভিত্তিতে প্রমাণ করতে পারেনি।

আদালত অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে মুক্তি দিয়ে পর্যবেক্ষণে জানায় যে, তাঁর বিরুদ্ধে আনা গুরুতর অভিযোগগুলো প্রমাণের মতো কোনো বস্তুগত ভিত্তি সিবিআই পেশ করতে পারেনি। আদালত বলে:”কোনো প্রমাণ ছাড়াই কাউকে ষড়যন্ত্রের কেন্দ্রীয় চরিত্র হিসেবে অভিহিত করা যায় না। প্রসিকিউশনের দাবি যদি ভিত্তিহীন হয়, তবে তা কেবল আইনি পরাজয় নয়, বরং সাধারণ মানুষের প্রশাসনিক ব্যবস্থার ওপর আস্থাও কমিয়ে দেয়।”

মণীশ সিসোদিয়া প্রসঙ্গে আদালত জানায়, প্রসিকিউশনের মামলাটি বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনায় ধোপে টেকেনি। সিবিআই যে নথিপত্র পেশ করেছে, তাতে সিসোদিয়ার কোনো অপরাধমূলক অভিপ্রায় খুঁজে পায়নি আদালত। বরং নথিপত্রগুলি পর্যালোচনার পর আদালত বলেছে, এগুলি ছিল একটি নীতি প্রণয়নের স্বাভাবিক প্রশাসনিক প্রক্রিয়া বা আলোচনা মাত্র, কোনো দুর্নীতির অংশ নয়।

সিবিআই-এর তদন্ত নিয়ে আদালতের কড়া সমালোচনা
রায়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার (CBI) ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তুলেছে দিল্লির আদালত:
• তদন্তে অসংগতি: কেন বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতি এবং মতামত তদন্তের রেকর্ড থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে আদালত।
• ভুল ব্যাখ্যা: তিনজন আইনি বিশেষজ্ঞের মতামতের যে ব্যাখ্যা সিবিআই দিয়েছে, তার স্বচ্ছতা নিয়ে আদালত সন্দেহ প্রকাশ করেছে।
• অস্পষ্ট শব্দ: সিবিআই তদন্তের রেকর্ডে ব্যবহৃত ‘সাউথ গ্রুপ’ (South Group) শব্দটির কোনো স্পষ্ট আইনি বা তথ্যগত ভিত্তি নেই বলে আপত্তি জানায় আদালত।
• অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব: আদালতের মতে, সিবিআই-এর ষড়যন্ত্রের তত্ত্বে প্রচুর অভ্যন্তরীণ স্ববিরোধিতা রয়েছে।

প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার ওপর গুরুত্ব
আদালত আরও উল্লেখ করেছে যে, আবগারি নীতি প্রণয়নের প্রতিটি স্তরে একাধিক প্রাতিষ্ঠানিক আলোচনা ও পরামর্শ গ্রহণ করা হয়েছিল। ফলে একে কোনো একতরফা ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখা ভুল।

রাজনীতির লড়াইয়ে প্রভাব
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দিল্লির রাজনীতিতে আম আদমি পার্টির জন্য এটি এক বিশাল নৈতিক জয়। আবগারি মামলাকে কেন্দ্র করে আপ নেতাদের দীর্ঘ কারাবাস এবং রাজনৈতিক চাপে পড়তে হয়েছিল। আদালতের এই রায় সেই ‘ড্যামেজ’ কাটিয়ে উঠতে অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে বড় অস্ত্র দিল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *