Annapurna Yojana | অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম পূরণে বাড়িতেই আসবে সরকারি লোক, বুধবারই মিলবে টাকা, বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

Annapurna Yojana | অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম পূরণে বাড়িতেই আসবে সরকারি লোক, বুধবারই মিলবে টাকা, বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

ভিডিও/VIDEO
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ ক্ষমতায় আসার পর রাজ্যে ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’র (Annapurna Yojana) ফর্ম প্রকাশ করেছে বিজেপি সরকার। কিন্তু ১২ পাতার এই দীর্ঘ ও জটিল ফর্ম পূরণ করা নিয়ে রাজ্যের মহিলাদের একাংশের মধ্যে তীব্র সংশয় ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল। শনিবার সকালে বিধাননগরের এক হাসপাতালে সার্ভিক্যাল ক্যানসারের টিকাকরণ কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে সেই সমস্ত ধোঁয়াশা এক লহমায় উড়িয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, ফর্ম সংক্রান্ত কোনও গুজবে কান দেওয়ার প্রয়োজন নেই, ফর্ম পূরণের জন্য প্রত্যেকের বাড়িতে পৌঁছে যাবেন সরকারি প্রতিনিধিরাই।

ভোটের আগে বিজেপির ‘সংকল্পপত্র’-এর অন্যতম মূল আকর্ষণ ছিল অন্নপূর্ণা যোজনা, যেখানে রাজ্যের মহিলাদের প্রতি মাসে ৩ হাজার টাকা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন,“আগামী বুধবারই আমরা অন্নপূর্ণা যোজনার প্রথম পর্যায়ের টাকা উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠাব। প্রত্যেকের বাড়িতে ফর্ম পূরণের জন্য লোক যাবে। আপনাদের ফর্ম তাঁরাই পূরণ করিয়ে দেবেন। অযথা কোনও গুজবে কান দেবেন না।”

শুভেন্দু অধিকারী আরও যোগ করেন, “আমরা সংকল্পপত্রের প্রতিটি প্রতিশ্রুতির বাক্য পালনের দায়িত্ব নিয়েছি। তবে আমরা চাই প্রকৃত প্রাপকরাই এই টাকা পান। কোনও অভারতীয় বা পুরুষ যাতে এই সুবিধা না পান, সেটা কঠোরভাবে নিশ্চিত করা হবে।”

তৃণমূল জমানার ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্পের ফর্ম অত্যন্ত সহজ হলেও, অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্মটি ১২ পাতার দীর্ঘ। এই ফর্মে জমির কাগজপত্র থেকে শুরু করে পরিবারের প্রতিটি সদস্যের ব্যাঙ্কের খুঁটিনাটি তথ্য চাওয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষের একাংশের দাবি ছিল, এত তথ্য জোগাড় করে ফর্ম পূরণ করা বেশ কঠিন। তাই ফর্ম সরলীকরণের দাবিও উঠছিল বিভিন্ন মহল থেকে। ইতিপূর্বে এই বিষয়ে রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল আমজনতাকে আশ্বস্ত করেছিলেন। এবার স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী ময়দানে নেমে সংশয় দূর করলেন।

সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, রাজ্যের ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সী মহিলারা এই অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা পাবেন। তবে বেশ কিছু শর্তও আরোপ করা হয়েছে। যেমন— আবেদনকারী বা তাঁর পরিবার যদি আয়কর (Revenue Tax) দেন, কিংবা সরকারি চাকরি ও নিয়মিত পেনশন পান, তবে এই প্রকল্পের সুবিধা মিলবে না। যোগ্য ও প্রকৃত দুঃস্থ মহিলাদের চিহ্নিত করতেই ফর্মে পরিবারের জমি ও আয়ের বিবরণ চাওয়া হয়েছে বলে নবান্ন সূত্রে খবর। তবে ফর্ম পূরণ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর এই অভয়বার্তায় অনেকটাই স্বস্তিতে রাজ্যের মহিলা মহল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *