Anandapur hearth | আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ড: এবার পুলিশের জালে ‘ওয়াও মোমো’র দুই শীর্ষ কর্তা, জারি রাজনৈতিক তরজা

Anandapur hearth | আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ড: এবার পুলিশের জালে ‘ওয়াও মোমো’র দুই শীর্ষ কর্তা, জারি রাজনৈতিক তরজা

খেলাধুলা/SPORTS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: আনন্দপুরের নাজিরাবাদ অগ্নিকাণ্ডের তদন্তে নয়া মোড়। দীর্ঘ টালবাহানার পর অবশেষে গ্রেপ্তার হলেন সংশ্লিষ্ট মোমো কারখানার ম্যানেজার মনোরঞ্জন শিট এবং ডেপুটি ম্যানেজার রাজা চক্রবর্তী। বৃহস্পতিবার রাতে নরেন্দ্রপুর এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অগ্নিকাণ্ডে ১৬ জনের (বেসরকারি মতে ২১) মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় কর্তৃপক্ষের গাফিলতি ঠিক কতটা ছিল, এখন সেটাই মূল আতসকাঁচের নিচে।

তদন্তের গতিপ্রকৃতি: মালিকের পর এবার ম্যানেজার
গুদামের মালিক গঙ্গাধর দাসের গ্রেপ্তারির পর থেকেই প্রশ্ন উঠছিল সংস্থার অভ্যন্তরীণ দায়িত্বপ্রাপ্তদের ভূমিকা নিয়ে। ২৫শে জানুয়ারির সেই কালরাত্রে যখন আগুন লাগে, তখন এই দুই আধিকারিক কোথায় ছিলেন এবং গুদামের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থায় কোনো ত্রুটি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে লালবাজার ও বারুইপুর জেলা পুলিশ। শুক্রবারই ধৃতদের বারুইপুর মহকুমা আদালতে পেশ করে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাবে তদন্তকারী দল।

ক্ষতিপূরণ বনাম আইনি দায়বদ্ধতা
সংস্থার পক্ষ থেকে মৃত তিন কর্মীর পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা ও আজীবন মাসিক বেতনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও, আইনি প্যাঁচ থেকে এখনই মুক্তি মিলছে না তাদের। ওয়াও মোমো কর্তৃপক্ষের দাবি, আগুন লেগেছিল পাশের গুদামে অননুমোদিত রান্নার কারণে। তবে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান— তালাবন্ধ গুদামঘর এবং পর্যাপ্ত নিকাশি পথের অভাবই মৃত্যুকে অবধারিত করে তুলেছিল। তদন্তের মূল পয়েন্টগুলি:
• নিখোঁজের তালিকা: এখনও পুলিশের খাতায় নিখোঁজ ২৮ জন।
• শনাক্তকরণ: ২১টি দেহাংশ উদ্ধার হওয়ায় ডিএনএ ম্যাপিং (DNA Mapping) শুরু হয়েছে।
• গাফিলতি: দাহ্য পদার্থের মজুত এবং সুরক্ষা বিধির লঙ্ঘন।
তপ্ত রাজনীতি: রাজপথে নামছে বিরোধী শিবির

অগ্নিকাণ্ডের এই ঘটনা এবার প্রশাসনিক গণ্ডি ছাড়িয়ে রাজনীতির ময়দানে। প্রশাসনের ‘ব্যর্থতা’র অভিযোগ তুলে আজ শুক্রবার দুপুর থেকেই পথে নামছে বিজেপি। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে ঢালাই ব্রিজ থেকে কামালগাজি মোড় পর্যন্ত এক বিশাল প্রতিবাদ মিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছে। এরপর স্থানীয় থানায় ডেপুটেশন জমা দেওয়ারও কথা রয়েছে তাঁর। আনন্দপুরের এই ‘জতুগৃহ’ কি কেবলই দুর্ঘটনা, নাকি সর্ষের মধ্যেই ছিল ভূত? দুই ম্যানেজারের জেরায় সেই রহস্যভেদের অপেক্ষায় শহরবাসী।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *