Amroha Gangrape | উর্দিধারীদের লালসার শিকার! খামারবাড়িতে হরিয়ানার তরুণীকে গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার দুই পুলিশ ও দুই সিআরপিএফ জওয়ান

খেলাধুলা/SPORTS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: হরিয়ানার এক তরুণীকে ধর্মীয় স্থানে ঘোরানোর নাম করে খামারবাড়িতে (Farmhouse) নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের আমরোহায় (Amroha Gangrape)। এই ন্যক্কারজনক ঘটনায় দুই উত্তরপ্রদেশ পুলিশকর্মী এবং দুই সিআরপিএফ জওয়ান সহ মোট চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ (UP Police and CRPF Personnel arrested)।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্যাতিতা তরুণীর সঙ্গে গত ২০ সেপ্টেম্বর এক পরিচিত মহিলার যোগাযোগ হয়। ওই মহিলা তাঁকে আমরোহায় ধর্মীয় স্থান পরিদর্শনের জন্য মুজাফফরনগরের বাসিন্দা সিআরপিএফ ইন্সপেক্টর মোহিতের সঙ্গে দেখা করতে বলেন। এরপর গত ২১ সেপ্টেম্বর সোনিপতে মোহিতের সঙ্গে সাক্ষাতের পর দুজনে মিরাটে পৌঁছান এবং সেখানে আলওয়ারের বাসিন্দা সিআরপিএফ হেড কনস্টেবল লালরাম যাদব তাঁদের সঙ্গে যোগ দেন।

এরপর গত ২২ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় মোহিত ও লালরাম ওই তরুণীকে গাড়িতে করে হাসানপুরে নিয়ে যান। মাঝপথে তাঁদের সঙ্গে যোগ দেন উত্তরপ্রদেশ পুলিশের সাব-ইনস্পেক্টর সঞ্জয় তোমার। অভিযুক্তরা সকলেই ওই তরুণীকে হাসানপুরের একটি খামারবাড়িতে নিয়ে গিয়ে দু’টি কামরা ভাড়া নেন। নির্যাতিতার অভিযোগ, খামারবাড়িতে তাঁদের জন্য খাবার ও মদের ব্যবস্থা করেছিলেন পুলিশ হেড কনস্টেবল প্রমোদ। এরপর মোহিত, লালরাম এবং সঞ্জয় পরপর ওই তরুণীকে ধর্ষণ করেন। নির্যাতিতা পুলিশকে জানিয়েছেন, পরবর্তীকালে প্রমোদ কামরায় ঢুকে তাঁর ওপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করলে তিনি তাঁকে ধাক্কা মেরে দরজা বন্ধ করে দেন। ভোরে নিজের মোবাইল থেকে পুলিশের হেল্পলাইন নম্বর খুঁজে যোগাযোগ করেন নির্যাতিতা। এরপর হাসানপুর ও রাজাপুর থানার যৌথ দল খামারবাড়িতে পৌঁছে তাঁকে উদ্ধার করে এবং চার অভিযুক্তকে পাকড়াও করে।

নির্যাতিতার অভিযোগের ভিত্তিতে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস)-এর অপহরণ এবং গণধর্ষণের বিভিন্ন ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। ধৃতদের বিচারবিভাগীয় হেপাজতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার লাখন সিং যাদব। অভিযুক্ত সাব-ইনস্পেক্টর সঞ্জয় তোমারকে বরখাস্ত করার পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে এবং সিআরপিএফের দুই কর্মীর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের সুপারিশ করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে। হাসানপুর কোতোয়ালি ইন-চার্জ অমর পাল সিং জানান, যে খামারবাড়িতে এই ঘটনা ঘটেছে সেটি উত্তরাখণ্ডের এক নির্দল বিধায়কের। ইতিমধ্যেই খামারবাড়ির ম্যানেজারকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও তদন্ত চলছে। এদিকে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ‘শাসনব্যবস্থা অপরাধমূলক হয়ে উঠলে পুলিশ বাহিনীও দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে পড়ে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *