Alipurduar | ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে ভিড় খাবারের দোকানে

Alipurduar | ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে ভিড় খাবারের দোকানে

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


দামিনী সাহা, আলিপুরদুয়ার: বাঙালির যে কোনও উৎসবের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে পেটপুজো। আলোর উত্সবেও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। ঠাকুর দেখার জন্য শহরের বিভিন্ন মণ্ডপে যেমন ভিড় হয়েছে তেমনি খাবারের দোকানগুলিতেও চোখে পড়ছে উপচে পড়া ভিড়। আলোর পাশাপাশি শহর যেন মেতে উঠেছে এগরোলের তাওয়ার ঠুংঠাং শব্দ ও বিরিয়ানির হাঁড়ির সুগন্ধে। কালীপুজো উপলক্ষ্যে শহরের নিউটাউন, জংশন সব জায়গায় খাবারের দোকানে ছিল উপচে পড়া ভিড়। শুধু বড় বড় রেস্তোরাঁ নয়, রাস্তার পাশে ছোট ছোট ফুড স্টলেও ছিল ভিড়।

‘চিকেন বিরিয়ানি শেষ, নতুন হাঁড়ি এখনই নামানো হবে’- দোকানদারদের এমন চিত্কারে গমগম করছে শহরের রাস্তা। নিউটাউন এলাকার এক রেস্তোরাঁ মালিক শঙ্খদীপ দাস বলেন, ‘কালীপুজোর রাতে নয়টা থেকে সাড়ে এগারোটা পর্যন্ত আমার রেস্তোরাঁর একটি টেবিলও খালি ছিল না। সবচেয়ে বেশি চাহিদা ছিল ফ্রায়েড রাইস ও চিকেন কষা কম্বোর।’

জংশন এলাকার (Alipurduar) ফাস্ট ফুডের স্টলগুলির কর্মচারীরা যেন খাবার দিয়ে কুলিয়ে উঠতে পারছিলেন না। বিক্রেতাদের রাত প্রায় বারোটা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখতে হচ্ছে। চাউমিন, এগরোল, কাটলেট, চপ— সব যেন নিমিষে উধাও হয়ে যাচ্ছে।

দক্ষিণ ভারতীয় খাবার বিক্রির দোকানগুলিতেও ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। জংশন এলাকায় ধোসা, ইডলি, দইবড়া বিক্রি করেন প্রভাস সাহা। তিনি জানান, কালীপুজোর রাতে তাঁর দোকানের সব খাবারের ভালো চাহিদা ছিল। অনেকে একসঙ্গে একাধিক খাবারের অর্ডার দিচ্ছিলেন। এছাড়া বিরিয়ানি ও গুজরাটি খাবারের প্রতিও ক্রেতাদের যথেষ্ট ঝোঁক ছিল।

ভিড়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকা এক কলেজ পড়ুয়া প্রিয়া দত্ত  বলেন, ‘আমরা বন্ধুরা মিলে ঠাকুর দেখতে বেরিয়েছিলাম। ঘোরার ফাঁকে পাস্তা, মোমো খেয়েছি। পুজোর সময় শহরের এই পরিবেশ আমার খুব ভালো লাগে।’ বীরপাড়া থেকে পরিবার নিয়ে ঠাকুর দেখতে শহরে এসেছিলেন অনিরুদ্ধ মজুমদার। তিনি বলেন, ‘ঠাকুর দেখা শেষে বাড়ি ফিরে রান্না করতে ইচ্ছে করে না। তাই রেস্তোরাঁয় ঢুকেছি। ছেলেমেয়েরাও বেশ খুশি হয়েছে। মাঝেমধ্যে বাইরের খাবার খেতে কার না ভালো লাগে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *