Alipurduar | টাকা দ্বিগুণের টোপ দিয়ে প্রতারণার জাল

Alipurduar | টাকা দ্বিগুণের টোপ দিয়ে প্রতারণার জাল

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


রাজু সাহা, শামুকতলা : আবার সেই চিটফান্ডের ধাঁচে প্রতারণার ছক ডুয়ার্সজুড়ে। মাত্র দু’মাসে টাকা দ্বিগুণ করার টোপ দিয়ে সহজ সরল মানুষকে বোকা বানিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার একটি চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। শামুকতলা থানার পুলিশ এমন অভিযোগ পেয়ে ওই চক্রের এক পান্ডাকে গ্রেপ্তার করেছে মঙ্গলবার। ধৃতের নাম বাদল রায়। মাদারিহাট-বীরপাড়া ব্লকের বাসিন্দা বাদলকে ধূপগুড়ি থেকে গ্রেপ্তার করেছে শামুকতলা থানার পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে খবর, বাদল একা নন, তাঁর সঙ্গে একটি চক্র রয়েছে। আর গত দু’মাসে শুধু বাদলের অ্যাকাউন্টেই ৭৬ লক্ষ টাকা জমা পড়েছে। এভাবে আরও বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট মিলিয়ে কোটি টাকারও বেশি তোলা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। আর এই কাজে ব্যবহার করা হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়াকে। সোশ্যাল মিডিয়াতেই টাকা ডাবল করার টোপ দিয়ে সাধারণ মানুষের থেকে নানা কায়দায় টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে।

আলিপুরদুয়ারের পুলিশ সুপার ওয়াই রঘুবংশী বলেন, ‘এই প্রতারণাচক্রে আরও বেশ কয়েকজন জড়িত রয়েছে বলে খবর রয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।’ ধৃত বাদলকে মঙ্গলবার আলিপুরদুয়ার জেলা আদালতে তোলা হয়। তাঁকে ৮ দিনের পুলিশ হেপাজতে নিয়েছে শামুকতলা থানার পুলিশ।

আলিপুরদুয়ারের পুলিশ সুপার ওয়াই রঘুবংশী বলেন, ‘এই প্রতারণাচক্রে আরও বেশ কয়েকজন জড়িত রয়েছে বলে খবর রয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।’ ধৃত বাদলকে মঙ্গলবার আলিপুরদুয়ার জেলা আদালত তোলা হয়। তাঁকে ৮ দিনের পুলিশ হেপাজতে নিয়েছে শামুকতলা থানার পুলিশ।

এই চক্রের বাকি পান্ডাদের খোঁজ পেতে তদন্ত শুরু করেছে শামুকতলা থানার পুলিশ। সূত্রের খবর, বাদল লোকজনকে বলতেন, তাঁর জলের ব্যবসা রয়েছে। ‘বিটুবি অ্যাকোয়া’ নামে একটি কোম্পানির কথা বলতেন তিনি। সেই ব্যবসায় লগ্নির টোপই দিতেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলে ধরতেন তাঁর ‘ব্যবসায়িক সাফল্যের’ কথা। সেইসঙ্গে দেওয়া থাকত তাঁর ফোন নম্বর। তাতে যোগাযোগ করতে বলা হত। অভিযোগ পাওয়ার পরে অবশ্য সেই মোবাইল ফোনের অবস্থান ট্র্যাক করেই তাঁকে ধূপগুড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

প্রতারিত অনেকের মধ্যে একটি নাম দক্ষিণ শিবকাটা গ্রামের বাসিন্দা জুস হাজারির। তিনি বলেন, ‘ফেসবুকে একটা কোম্পানির বিজ্ঞাপন দেখেছিলাম। দুই মাসে টাকা দ্বিগুণ করার কথা বলা হয়েছিল। তা দেখে ৩০ হাজার টাকা জমা করেছিলাম। তারপর ৪ মাস পেরিয়ে যায়। দ্বিগুণ তো দূরের কথা, আমার লগ্নিটাই ফেরত পাইনি।’ তারপরেই শামুকতলা থানায় লিখিত অভিযোগ জানান তিনি।

শামুকতলা থানা এলাকার চেপানি গ্রামের বাসিন্দা সুবল বিশ্বাসের ক্ষতির অঙ্কটা আরও অনেক বেশি। তিনি এক লক্ষ টাকা জমা করে প্রতারিত হয়েছেন। সাড়ে তিন মাস হল এক টাকাও ফেরত পাননি। তিনি পরে সাইবার ক্রাইম বিভাগে অভিযোগ জানিয়েছেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বাদলের বিরুদ্ধে জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলার বিভিন্ন থানায় সাইবার ক্রাইমের অধীনে বেশ কিছু অভিযোগ জমা পড়েছে। তার মধ্যে আবার কয়েকটি অভিযোগ অনলাইনে জমা পড়েছে। সমস্ত অভিযোগ খতিয়ে দেখে পুলিশ বাদলের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *