উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনার (Ahmedabad Aircraft Crash) এক মাসের মাথায় প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ করল এয়ারক্রাফট এক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (AAIB)। উড়ান শুরু করার মাত্র ৩২ সেকেন্ডের মধ্যেই ভেঙে পড়ে বিমানটি। আর সেই রিপোর্ট থেকেই উঠে এসেছে বেশ কিছু গুরুতর প্রশ্ন।
১৫ পাতার এই রিপোর্টে জানানো হয়েছে বিমান এয়ারপোর্ট থেকে টেক অফ করার পরই ইঞ্জিনের দুটো ফুয়েল সুইচ বন্ধ হয়ে যায়। যার ফলেই প্রধানত দুর্ঘটনাটি ঘটে। সঙ্গে সঙ্গেই একটি বিকল্প যন্ত্র চালু করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন পাইলটরা। কিন্তু একটি ইঞ্জিন আংশিক চালু করা গেলেও তাতে লাভ হয়নি। দুটি ইঞ্জিনের গতি একদম ন্যূনতম মানের নীচে চলে যায়। ফলে ক্রমশ বিমানের উচ্চতা কমতে থাকে। এরপরই মাটিতে আছড়ে পড়ে এআই ১৭১। যাত্রী ও ক্রু সহ বিমানে থাকা ২৪১ জনের মৃত্যু হয়। প্রাণে বেঁচে যান মাত্র ১ জন। এছাড়া যেখানে বিমানটি ভেঙে পড়ে সেখানে আরও ১৯ জনের মৃত্যু হয়। ভারতে গত ৩ দশকে এতবড়ো অসামরিক বিমান দুর্ঘটনা হয়নি।
আন্তর্জাতিক অসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা (ICAO)-র নিয়ম অনুযায়ী, সদস্য রাষ্ট্রগুলিকে দুর্ঘটনার ৩০ দিনের মধ্যে একটি প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দিতে হয়। ভারত সেই সদস্য রাষ্ট্রগুলির অন্তর্ভুক্ত। সেই নিয়মে রিপোর্ট প্রকাশের কথা ছিলই। গতকাল অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী কে রামমোহন নাইডু জানিয়েছিলেন দ্রুত দুর্ঘটনার প্রাথমিক অনুসন্ধান রিপোর্ট প্রকাশ করা হবে। সেইমতো এয়ারক্রাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (Plane Accident Investigation Bureau) আজ রিপোর্ট প্রকাশ করেছে।
