Abhisekh Banerjee | ‘সারদা-নারদা চোরেরা বিজেপিতে পালায়!’ শেক্সপিয়র সরণি থানা থেকে বেরিয়ে শুভেন্দুকে তীব্র আক্রমণ অভিষেকের  

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ ক্যামাক স্ট্রিট বিলবোর্ড (Camac Road Billboard) অপসারণ সংক্রান্ত মামলায় বুধবার কলকাতার শেক্সপিয়র সরণি থানায় হাজিরা দিলেন সর্বভারতীয় তৃণমূল সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhisekh Banerjee)। প্রায় ৫ ঘণ্টা দীর্ঘ ম্যারাথন জেরা শেষে থানা থেকে বেরিয়ে রাজ্য সরকার ও মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং কেন্দ্রের বিরুদ্ধে অত্যন্ত চড়া সুরে আক্রমণ শানান তিনি।

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক স্পষ্ট ভাষায় জানান, অতীতেও প্রতিটি তদন্ত ও মামলায় তিনি সর্বদা তদন্তকারী সংস্থাকে আইনিভাবে সহযোগিতা করেছেন, কখনো কোনো প্রশ্ন এড়িয়ে যাননি। এই প্রসঙ্গে নাম না করে সরাসরি বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে নিশানা করে তিনি কটাক্ষের সুরে বলেন, “সারদা, নারদা চোরটা একবার সিবিআইয়ের নোটিস পেয়েই বিজেপিতে ছুটে পালিয়ে গেছে।”

একইসঙ্গে তিনি দাবি করেন, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে বাংলা দখল করা হয়েছে, তাই বর্তমান সরকার, মন্ত্রিসভা এবং কেন্দ্রের মোদি সরকার—সবই আসলে অবৈধ।

বিলবোর্ড অপসারণ প্রসঙ্গে কলকাতা পুরসভার (KMC) ভূমিকা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন তোলেন অভিষেক। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, নিয়ম অনুযায়ী কোনো নোটিস না দিয়ে পুরসভা হুট করে কোনো ডিমোলিশন বা ভাঙচুরের পদক্ষেপ করতে পারে না, যা খোদ কেএমসি-র নিজস্ব আইনেই স্পষ্ট বলা রয়েছে। কিন্তু এক্ষেত্রে তাঁকে কোনো রকম আইনি নোটিস দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

অভিষেক চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে প্রশ্ন তোলেন, সেদিন যখন ক্যামাক স্ট্রিটে পুরসভার পক্ষ থেকে ওই অভিযান চালানো হয়েছিল, তখন গোটা এলাকায় মোট কটি বিলবোর্ড বা হোর্ডিং খোলা হয়েছিল? শুধুমাত্র তৃণমূল কংগ্রেসের হোর্ডিং বা বিলবোর্ডগুলিকেই কেন নিশানা করা হলো, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।

শাসকদল ও বিজেপি নেতৃত্বকে কাঠগড়ায় তুলে অভিষেক বলেন, তৃণমূলের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা থেকে শুরু করে প্রতীক আটকানো, পার্টি অফিস ভাঙচুর, বিলবোর্ড খোলা এবং নেতাকর্মীদের জেলে ঢোকানোর পরেও কেন তাদের রাতের ঘুম উড়ে যাচ্ছে? তাঁর কথায়, বিজেপি ভালোভাবেই জানে তারা চুরি করে জিতেছে; আর যারা মানুষের ভোটে প্রকৃত জয় পায়, তারা কখনো এত ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে থাকে না।

পাশাপাশি, জ্ঞানেশ কুমার প্রসঙ্গ টেনে এনে অভিষেক টিপ্পনী কেটে বলেন, জ্ঞানেশ হলেন বিজেপির প্রাণভোমরা। তাঁকে বাঁচানোর জন্য তৎপরতা চলছে, কিন্তু দেশজুড়ে সাধারণ মানুষ যে আন্দোলন গড়ে তুলেছেন, তা কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল যেমন তৃণমূল, কংগ্রেস বা আপ-এর নয়, বরং এটি একান্তভাবেই সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *