১০০ দিনের কাজে গান্ধী বাদ, এবার কেন্দ্রের নয়া আইনকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা মাদ্রাজ হাই কোর্টে

১০০ দিনের কাজে গান্ধী বাদ, এবার কেন্দ্রের নয়া আইনকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা মাদ্রাজ হাই কোর্টে

ইন্ডিয়া খবর/INDIA
Spread the love


মনরেগা অর্থাৎ মহাত্মা গান্ধী গ্রামীণ রোজগার গ্যারান্টি আইন বদলে বিকশিত ভারত গ্যারান্টি ফর রোজগার অ্যান্ড আজীবিকা মিশন (গ্রামীণ) বা VB-G RAM-G (সংক্ষেপে জি রাম জি) আইন এনেছে কেন্দ্র। যা নিয়ে দেশজোড়া বিতর্ক। এবার ওই আইনকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা দায়ের হল মাদ্রাজ হাই কোর্টে। ওই আইনের আটটি ধারাকে চ্যানেঞ্জ করে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে।

আরও পড়ুন:

ওই আইন পাশ হওয়ার পর থেকেই সেটি নিয়ে বিতর্ক। কংগ্রেসের অভিযোগ, ওই প্রকল্প থেকে গান্ধীজির নাম সরানোর জন্যই ঘটা করে বিল এনেছে মোদি সরকার। ওই বিল অসাংবিধানিক। সংসদে সংখ্যাধিক্যের বলে পাশ করিয়ে নিয়েছে কেন্দ্র। প্রস্তাবিত বিলে কাজের পরিমাণ ১০০ দিন থেকে বাড়িয়ে ১২৫ দিন করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পে কেন্দ্রীয় বরাদ্দ ৯০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৬০ শতাংশ করা হচ্ছে। এর ফলে রাজ্যগুলির উপর চাপ বাড়ছে। তাছাড়া আগে রাজ্যের চাহিদা অনুযায়ী, এই প্রকল্পে বরাদ্দ করা হত। এবার থেকে কেন্দ্র ঠিক করবে কোন রাজ্যে কত বরাদ্দ করা হবে। ফলে সাধারণ শ্রমিকরা ১০০ দিনের কাজ পাবেনই, তেমন কোনও নিশ্চয়তা থাকছে না।

এবার ওই আইনের নির্দিষ্ট কিছু ধারাকে চ্যালেঞ্জ করে মাদ্রাজ হাই কোর্টে মামলা দায়ের করেছেন এক আইনজীবী। টি শিবজ্ঞানসম্বন্দন নামের ওই আইনজীবীর অভিযোগ, নতুন আইনে কিছু ক্ষেত্রে বৈষম্য করা হচ্ছে। মনরেগায় কেন্দ্র এবং রাজ্যগুলির মধ্যে ৯০:১০ অনুপাতে খরচ ভাগাভাগি হত। কিন্তু নতুন আইনে এই প্রকল্পে কেন্দ্রীয় বরাদ্দ ৯০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৬০ শতাংশ করা হচ্ছে। কিন্তু নতুন আইনে নির্দিষ্ট কিছু রাজ্যের ক্ষেত্রে পুরানো অনুপাত মানা হয়েছে। ফলে রাজ্যগুলির উপর চাপ বাড়ছে। এই বৈষম্য কেন?

আরও পড়ুন:

বস্তুত বিরোধীদের দাবি, পুরো বিষয়টাই অসাংবিধানিক। যেভাবে রাজ্যগুলির উপর ৪০ শতাংশ খরচের বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে সেটা সংবিধানের ২৫৮ ধারার পরিপন্থী। তামিলনাড়ুর সরকার ইতিমধ্যে ‘জিরামজি’ নিয়ে আপত্তি জানিয়ে সে রাজ্যের বিধানসভায় প্রস্তাব পাশ করিয়েছে। এবার মামলা গেল আদালতে।

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *