‘হিন্দু নিধনে নামলে শিংয়ের গুঁতো’, বাংলাদেশের কথা মনে করিয়ে হুঁশিয়ারি ‘মহাগুরু’র

‘হিন্দু নিধনে নামলে শিংয়ের গুঁতো’, বাংলাদেশের কথা মনে করিয়ে হুঁশিয়ারি ‘মহাগুরু’র

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


সুবীর দাস, কল্যাণী: পড়শি দেশে সংখ্যালঘুদের উপর লাগামহীন অত্যাচার। মৌলবাদের হিংসায় হিন্দুদের ঘরে ঘরে জ্বলছে আগুন। এই পরিস্থিতিতে সীমান্ত পেরিয়ে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে এপারেও। সেই কথা উল্লেখ করে এবার হিন্দু বিরোধী কার্যকলাপ নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি শোনা গেল বিজেপির তারকা নেতা, জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা ‘মহাগুরু’ মিঠুন চক্রবর্তীর গলায়। মঙ্গলবার কল্যাণীতে দলের পরিবর্তন সংকল্প জনসভায় যোগ দিয়ে বললেন, ”যারা হিন্দু নিধনে নেমেছে, তাদের শিংয়ের গুঁতো দিতে হবে।” আরও বললেন, ”আমি তুফান, এক-আধবার এসে প্রলয় ঘটাই।”

বিজেপির মঙ্গলবার নদিয়া জেলার কল্যাণী ব্লকের মদনপুর-আলাইপুর মনোরমা শিক্ষা নিকেতনের মাঠে পরিবর্তন সংকল্প জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। এই জনসভায় হাজির ছিলেন সুপারস্টার মিঠুন চক্রবর্তী, কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী তথা বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর, কল্যাণী বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক অম্বিকা রায়, বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সভাপতি বিকাশ ঘোষ ও অন্যান্য বিজেপি নেতৃত্বরা। মঞ্চে বক্তব্য শুরুতেই, বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী বলেন, ”আমার মন ভালো নেই।” বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গে হিন্দু সনাতনীদের উপর হামলার তীব্র প্রতিবাদ করেন। তাঁর আশঙ্কা, এভাবে চলতে থাকলে এই রাজ্যও একদিন হিন্দুশূন্য হয়ে যাবে।

মিঠুনের কথায়, ”আমি তুফান, বছরে এক আধ বার আসি, আর যখন আসি তখন প্রলয় ঘটে। আর যখন যাই, তখন যারা নিজেদের ভগবান মনে করে, তাদের অস্তিত্ব মুছে দিয়ে যাই। আমাদের দুধেল গাইয়ের দরকার নেই। আমাদের দরকার তাকে, যে গরু শিং মারতে পারবে। ওই যে ডায়লগ টা আছে না সেটা তো বলতে পারব না, তাই বলছি সিং মারব এখানে, পড়বে ওখানে। কোথায়? নিজেরাই বুঝে নিন। যারা হিন্দু নিধনে নেমেছে, তাদের শিং এর গুঁতো দিতে হবে।” মঞ্চে থাকা দলীয় নেতাদের সব ভেদাভেদ দূরত্ব ভুলে সকলকে একজোট হয়ে নির্বাচনের কাজ করার আহ্বান জানালেন মিঠুন। তিনি বলেন, ”এই নির্বাচনে আমাদের জিততেই হবে। তাই এই লড়াই সকলকে সংঘবদ্ধ হতে হবে। এ নির্বাচন আমাদের শেষ নির্বাচন। ফলে এই নির্বাচনে আমাদের জিততেই হবে।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *