হাল ছাড়তে নারাজ, এবার নিজেই ভোটের ময়দানে নামছেন পিকে

হাল ছাড়তে নারাজ, এবার নিজেই ভোটের ময়দানে নামছেন পিকে

সিনেমা/বিনোদন/থিয়েটার
Spread the love


প্রথমবার ভোটের ময়দানে নেমে ডাহা ফেল করেছে তাঁর দল। রাজনীতিক হিসাবে ‘ব্যর্থ’ তকমা লেগে গিয়েছে তাঁর নামের পাশে। কিন্তু প্রশান্ত কিশোর হাল ছাড়তে নারাজ। ফের রাজনীতিতে সক্রিয় হচ্ছেন তিনি। শুধু সক্রিয় হচ্ছেন তাই নয়, এবার নিজেই ভোট ময়দানে নেমে পড়তে চাইছেন পিকে।

সামনেই বিহারের বাঁকিপুরে উপনির্বাচন। বিজেপি সভাপতি নীতীন নবীন ওই আসন থেকে বিধায়ক ছিলেন। এখন তিনি রাজ্যসভার সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। ফলে ওই কেন্দ্রে উপনির্বাচনের প্রয়োজন পড়েছে। নীতীন নবীনের ছেড়ে আসা ওই আসনটি বিজেপির শক্ত ঘাঁটি। বিজেপির সেই শক্ত ঘাঁটি থেকেই গেরুয়া শিবিরকে চ্যালেঞ্জ করতে চান পিকে। নিজের ইচ্ছার কথা গোপনও করছেন না প্রাক্তন ভোটকুশলী তথা জন সুরাজের প্রতিষ্ঠাতা। পিকে বলছেন, “আমার ভোটে দাঁড়ানো যদি বাঁকিপুরের মতো বিজেপির শক্ত ঘাঁটিতে ওদের হার নিশ্চিত করতে পারে, তবে আমি লড়তে তৈরি।”

আরও পড়ুন:

প্রশান্ত কিশোর বলছেন, এই উপনির্বাচন আর পাঁচটা সাধারণ উপনির্বাচনের মতো নয়। নীতীশ কুমারের পর বিহারের মসনদে বসা বিজেপি নেতা সম্রাট চৌধুরীর গ্রহণযোগ্যতার পরীক্ষা এটি। পিকের কথায়, “বিহারের মানুষ সম্রাট চৌধুরী মুখ্যমন্ত্রী হবেন বলে ভোট দেননি। তাঁরা ভোট দিয়েছিলেন নীতীশ কুমারকে। সম্রাট চৌধুরীর নেতৃত্বে বিজেপি সরকার কেমন কাজ করছে, এই উপনির্বাচন সেটারই পরীক্ষা।”

পিকের আচমকা ঘোষণা অনেককেই চমকে দিয়েছে। বিহারে গত বছর নভেম্বরে যে বিধানসভা ভোট হয়েছিল, তাতে পিকের দলকে ফিরতে হয়েছিল শূন্য হাতে। তবে প্রায় সাড়ে ৩ শতাংশ ভোট পায় জন সুরাজ। সেসময় পিকে নিজে ভোটের ময়দানে নামেননি। খড়্গহর কেন্দ্র থেকে লড়বেন বলে প্রাথমিকভাবে ইঙ্গিত দিলেও শেষপর্যন্ত ভোট ময়দানে দেখা যায়নি প্রাক্তন ভোটকুশলীকে। আর সেটা যে তাঁর দলের ভোট সম্ভাবনায় সমূহ ক্ষতি করেছে বলার অপেক্ষা রাখে না। সম্ভবত নিজের ভুল বুঝতে পেরেই পিকে এবার সরাসরি ভোট ময়দানে নামতে চলেছেন তিনি। আরও একটি সম্ভাবনার কথা উঠে আসছে। আগেরবার পিকে লড়েছিলেন সম্পূর্ণ একা। এবার কংগ্রেসের সঙ্গে জন সুরাজের জোটের একটা সম্ভাবনাও খারিজ করে দেওয়া যাচ্ছে না।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *