হারানো তালায় বাবার স্মৃতি, ফিরে পেতে হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা, থানায় অভিযোগ

হারানো তালায় বাবার স্মৃতি, ফিরে পেতে হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা, থানায় অভিযোগ

সিনেমা/বিনোদন/থিয়েটার
Spread the love


সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দোকানের জন্য বাবা তালা বানিয়েছিলেন সখ করে। বাবা মারা গিয়েছেন অনেক বছর হল। কিন্তু সেই তালাগুলি দোকানেই ঝাঁপ বন্ধের সময় ব্যবহার করতেন দুই সন্তান। সেই তালা হারিয়ে গিয়েছে। বাবার স্মৃতি ওই তালা ফিরে পেতে পুলিশের দ্বারস্থ হলেন দুই ভাই। শুধু তাই নয়, যে ওই তালা ফিরিয়ে দেবেন, তাঁকে হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। সেই কথাও ঘোষণা করা হয়েছে। ঘটনাটি বীরভূমের সিউড়ি এলাকার। বাবার ওই স্মৃতি ফিরে পেতে মরিয়া দুই সন্তান।

জানা গিয়েছে, সিউড়ি টিন বাজার এলাকায় মোবাইল ফোন-সহ একাধিক জিনিস সারাইয়ের দোকান দুই ভাই কুতুবউদ্দিন মৃধা, তাজ মৃধার। ওই দোকানের ঝাঁপ বন্ধের জন্য তিনটি তালা রয়েছে। সেই তালাগুলি তাঁদের বাবা ইউসুফ মৃধা তৈরি করিয়েছিলেন। আলিগড় থেকে আসা কারিগর ওই তিনটি তালা বানিয়েছিলেন বলে খবর। সেগুলির বয়স প্রায় ৪৫ বছর। পিতল দিয়ে তৈরি ওই তালাগুলির এক একটির ওজন ৭৯৬ গ্রাম। সেসময় তালাগুলির দাম পড়েছিল ৮৫.৭৫ টাকা। ওই তিনটির মধ্যে একটি তালা হারিয়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন দুই ভাই।

Man announces thousand rupee prize for lost lock in Suri
থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন দুই ভাই। নিজস্ব চিত্র

কুতুবউদ্দিন মৃধা, তাজ মৃধার দাবি, শনিবার রাতে দোকান বন্ধের সময় তিনটি তালা টেবিলের উপর রাখা হয়েছিল। পরে সব কিছু গোছগাছ করে দেখা যায় একটি তালা নেই! সব জায়গায় খোঁজার পরেও ওই তালাটি খুঁজে পাওয়া যায়নি। শেষপর্যন্ত দুই ভাই পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন। আজ, মঙ্গলবার সিউড়ি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, হারিয়ে যাওয়া তালা ফিরে পেতে হাজার টাকা পুরস্কারও ইতিমধ্যেই ঘোষণা করা হয়েছে। কুতুবউদ্দিন মৃধা, তাজ মৃধা জানিয়েছেন, ওই তালাগুলির সঙ্গে বাবার স্মৃতি জড়িয়ে আছে। তালাগুলিতে দোকানের নাম ও দাম খোদাই করা আছে। ওই তালার দাম এখন বাজারে ৮০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। যে তালাটি নিয়েছে, তিনি কম দামে তালাটি বিক্রিও করে দিতে পারেন। কিন্তু তাঁদের কাছে ওই তালার গুরুত্ব ও মূল্য অসীম। সেজন্যই ওই তালাটি তাঁরা ফিরে পেরে উদ্গ্রীব।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ







Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *