‘হামলা হলে গোটা মধ্যপ্রাচ্যে…’ আমেরিকাকে চরম হুঁশিয়ারি খামেনেইয়ের

‘হামলা হলে গোটা মধ্যপ্রাচ্যে…’ আমেরিকাকে চরম হুঁশিয়ারি খামেনেইয়ের

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


ইরানের আকাশে যুদ্ধের সিঁদুরে মেঘ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি ও সামরিক মহড়ায় আশঙ্কা করা হচ্ছে, যে কোনও মুহূর্তে হামলা হতে পারে ইরানে। এহেন পরিস্থিতির মাঝেই রবিবার কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা খামেনেই। জানালেন, আমেরিকা যদি ইরানে হামলা চালায় তবে গোটা মধ্যপ্রাচ্য আঞ্চলিক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে।

রবিবার ইরানের এক সরকারি টিভি চ্যানেল খামেনেইয়ের বার্তা তুলে ধরা হয়। সেখানে তিনি জানিয়েছে, “আমেরিকা যদি যুদ্ধ শুরু করে তবে তার ভয়াবহ পরিনতির কথাও ওদের মাথায় রাখা উচিত। যদি সত্যি যুদ্ধ শুরু হয় তবে সে যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত আঞ্চলিক যুদ্ধে পরিণত হবে।” খামেনেই আরও বলেন, “আমরা কাউকে উসকানি দেই না। এবং কোনও দেশের উপর হামলা চালাতেও আগ্রহী নই। তবে ইরানের উপর যদি কোনও রকম হামলা হয়, তবে উপযুক্ত জবাব দিতেও আমরা প্রস্তুত।” অনুমান করা হচ্ছে, আমেরিকা যদি ইরানে হামলা চালায় তবে মধ্যপ্রাচ্যে তাদের একাধিক সেনাঘাঁটির মধ্যে কোনও এক বা দুটি জায়গা থেকে এই হামলা চালাবে তারা। সেক্ষেত্রে যে দেশের মাটি ব্যবহার করে ইরানের উপর হামলা হবে, সেই দেশকে তছনছ করার হুঁশিয়ারি আগেই দিয়েছে ইরান। সেক্ষেত্রে ধাপে ধাপে আভ্যন্তরীণ যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে গোটা মধ্যপ্রাচ্য। যদি তেমন হয়, তাতে আমেরিকার লাভের তুলনায় ক্ষতিই বেশি হবে।

আরও পড়ুন:

উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেও মনে করা হচ্ছিল, ইরানে যুদ্ধের মেঘ কেটে গিয়েছে। সরকারবিরোধী আন্দোলনে নামা আটশোর বেশি বিদ্রোহীর মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করেও তা রদ করেছিল তেহরান। এরপরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সেই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছিলেন। মনে করা হচ্ছিল এবার বোধহয় চূড়ান্ত পদক্ষেপের থেকে সরে আসবে আমেরিকা। তবে সে ভুল ভেঙে পশ্চিম এশিয়ায় বিরাট নৌবহর পাঠিয়েছে আমেরিকা। ৩ রণতরীর পাশাপাশি বিপুল সেনা ও এয়ারক্রাফট পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে ইরান হুংকার দিয়ে জানিয়েছে, শীঘ্রই তারা হরমুজ প্রণালীতে পাঁচদিনব্যাপী একটি সামরিক মহড়া শুরু করার পরিকল্পনা করছে।

এই ঘটনায় তেহরানকে পালটা দিয়েছে আমেরিকা। মার্কিন সেনার সেন্ট্রাল কমান্ড কড়া বার্তা দিয়ে জানিয়েছে, মার্কিন বাহিনী, ওই অঞ্চলে আমেরিকার মিত্রদেশগুলি এবং বাণিজ্যিক জাহাজগুলিতে যদি কোনও ক্ষতি হয়, তাহলে ছেড়ে কথা বলবে না ওয়াশিংটন। কোনও অসতর্ক আচরণ বড় বিপদ ডেকে আনবে। গোটা পরিস্থিতিতে সিঁদুরে মেঘ দেখছে কূটনৈতিক মহল।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *